Wednesday, May 22, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদাওয়াআলিম কে?

আলিম কে?

একজন আলিম কখন হয়?

প্রথম শর্ত হলো, একজন আলিমের কাছে “রিসালাতে মুহাম্মাদিয়া” থাকতে হবে। তাঁর কাছে সেই বার্তাগুলো আছে যেগুলো নিয়ে রসুলুল্লাহ ﷺ এসেছেন। তিনি রসুলুল্লাহ ﷺ এর হাদীস জানবেন।

রসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,إِنَّ الْعُلَمَاءَ هُمْ وَرَثَةُ الأَنْبِيَاءِ

নিঃশ্চয়ই আলিমরা হলো রসূলগণের উত্তরাধীকারী।[আবু দাউদ, ইবনে হিব্বান, তিরমিজি]

إِنَّ الأَنْبِيَاءَ لَمْ يُوَرِّثُوا دِينَارًا وَلاَ دِرْهَمًا إِنَّمَا وَرَّثُوا الْعِلْمَ فَمَنْ أَخَذَهُ أَخَذَ بِحَظٍّ وَافِرٍ ‏

নবীগণ তাদের অর্থসম্পদ রেখে যাননি।অর্থাৎ তারা রসূলগণের সম্পদ বা অর্থকড়ির উত্তরাধিকারী তা নয়।তাহলে তাঁরা কিসে উত্তরাধীকার রাখেন? وَرَّثُوا الْعِلْمَ। তাহলে রসূলের ﷺ থেকে কী রয়ে গিয়েছে? ক্বুরআন এবং সুন্নাহ্! এটাই রসূল তাদের দিয়েছেন। ক্বুরআন এবং হিকমা! হিকমা মানে হলো সুন্নাহ্।

এই দুটোই প্রথমত উত্তরাধিকার সুত্রে এসেছে। কোন ব্যক্তি যদি হাদীস সম্পর্কে কোন ধরনের জ্ঞান না রাখে, কোন ব্যক্তি যদি ক্বুরআন সম্পর্কে জ্ঞান না রাখে, তবে সে আলিম নয়। যদিও সে চিৎকার করে বয়ান দেয়। সে চিৎকার করতেই থাকে।

আমি তোমাকে বলি, সে আলিম নয় যে আরবী গ্রামার জানে। সে আলিম নয়। যে ব্যক্তি উসুলুল ফিক্হ জানে, সেও আলিম নয়। যে বালাগা জানে, সেও আলিম নয়। আলিম হলো সেই, প্রথম শর্ত, সে ক্বুরআন ও সুন্নাহ্ জানবে। সে ক্বুরআন ও সুন্নাহ্ সম্পর্কে জানে। উপরের সবকিছু এই দুটোর নির্যাস। মনোযোগ দিবে এটায়।

দ্বিতীয় যেটা সে জানবে, মা’রিফাতুল উলুহুল ক্বারাত। উক্ত ব্যাক্তি ক্বুরআনের ক্বিরাআতের বিভিন্ন পার্থক্য সম্পর্কে জানবে। ইমাম আহমাদ বর্ণনা করেন, আবু দারদা থেকে তাঁর মুসনাদে। আবু দারদা তিনি বলেন,তুমি ফক্বিহ নও, যারা ফিক্বহি মাসআলা বের করে, যে কিনা আ-ম, খাস, মুতলাক, মুক্বাইয়াদ এসব বুঝে। অর্থাৎ হুকুম বের করে। আবু দারদা বলেন, “তুমি ততক্ষণ ফক্বিহ হতে পারবেনা, ফক্বিহ শব্দটার অর্থ যেমন, যতক্ষণ না তুমি ক্বুরআন বিভিন্ন ক্বিরআত বুঝবে।”

আইয়ুব ইবনে আবু তামিম আতসাকতিয়ানি এই রেওয়াতের ব্যাখ্যায় অর্থাৎ আবু দারদা কি বুঝিয়েছেন সেটা বুঝাতে গিয়ে বলেন, “একজন ব্যক্তি যখন বিভিন্ন ধরনের ক্বিরাআত সম্পর্কে জ্ঞান রাখবে, সে বুঝতে শুরু করবে যে, আমাকে ধীরস্থির হতে হবে।”

তৃতীয় যে শর্ত একজন আলিমের থাকা প্রয়োজন, তা হলো “মারিফাতু আক্বওয়ালু সাহাবা”, সে জানবে সাহাবাদের মতামতগুলো। সাঈদ ইবনু আরুবা কি বলেন? “তাকে আলিম ভাববে না, যে সাহাবাদের বিভিন্ন মতপার্থক্য সম্বন্ধে জানবে না।” সে যদি না জানে যে সাহাবাদের মধ্যে বুঝার বিভিন্নতা ছিলো।

(একটি বিষয়ে) ইবনে আব্বাস এটা বলেছেন, ইবনু উমার এটা বলেছেন, ইবনু মাসউদ এটা বলেছেন, অথবা আবু হুরায়রা ওটা বলেছেন। যদি তুমি নাই জানো সাহাবাদের মধ্যে বিভিন্ন মতপার্থক্য সম্পর্কে, তাহলে তাকে আলিম মনে করা যাবেনা। মালিক ইবনু আনাস, তিনি বলেন, “একজন ফতোয়া দেয়ার অধিকার রাখেনা, যতক্ষন সে না জানবে যে লোকেদের মতপার্থক্য কিরকম ছিলো।” লোকেরা বলতে এখানে সাহাবাদের বুঝানো হয়েছে৷ এরপর তারা তাঁকে জিজ্ঞেস করলো, আপনি কি আহলুল রায়দের মতপার্থক্যের কথা বলছেন? তিনি বললেন, “না, রসুলুল্লাহ ﷺ এর সাহাবাগণের ইখতিলাফের কথা বলছি।”

এরপর তিনি বলেন, “সে ক্বুরআনের নাসিখ ও মানসুখ সম্পর্কে জ্ঞান রাখে, যা আমাদের কাছে পৌছেছে।”তাজউদ্দিন আস সুবকি, তিনি বলেন, “ব্যক্তি যে খিলাফ সম্পর্কে জ্ঞান রাখেনা, এবং খিলাফগুলোর কারনগুলো বুঝেনা, তাহলে সে ফক্বিহ নয়।”

আচ্ছা, ফক্বিহ ও আলিম শব্দদুটো পরস্পরের সমার্থক। মুজতাহিদ, আলিম ও ফক্বিহ এ তিনটি একই শব্দ অর্থাৎ সমার্থক শব্দ। সে কোনভাবেই আলিম নয় (যে উক্ত জ্ঞান রাখেনা)। দেখো তিনি কি বলেছেন? (উক্ত বক্তব্য বলে) তিনি বলেন, যতক্ষণ না একটা উট সুচের ফুটো দিয়ে প্রবেশ করে (অর্থাৎ অসম্ভব, তার ফক্বিহ হওয়া) ।

আব্দুল মালিক ইবনে হাবিব, তিনি বলেন, “আমি ইবনে মাজুশশুনকে বলতে শুনেছি, (ইবনে মাজুশশুন ইমাম মালিকের ছাত্র ছিলেন) মালিক ও অন্যান্য বড় বড় উলামাগণ হরহামেশাই বলতেন – একজন ব্যক্তি কখনোই ফিক্বহের লোক হতে পারবে না, ফিক্বহের বুঝদার, ফিক্বহের বড় আলিম, যদি সে ক্বুরআন ও আছার সম্পর্কে না জানে।”

আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারককে প্রশ্ন করা হয়, “কখন একজন ব্যক্তি ফতোয়া দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করবে?” তিনি তখন উত্তরে বলেন, “যতক্ষণ না সে আছার ও রাইয়াহ সম্পর্কে জ্ঞান না রাখে।” যতক্ষণ না সে জ্ঞান রাখে আছারের মানে হলো ক্বুরআন ও সুন্নাহ্ এবং রাইয়াহ মানে হলো ফিক্বহ, সে জানবে কীভাবে সেই আছার থেকে উপকারী নির্যাস বের করা যায়।

চতুর্থ শর্ত হলো, ব্যক্তি অদ্ভুত রকমের মত অনুসরণ করেনা। ওয়াল্লাহি, অনেকে এমন আছে উম্মাহ্-র মধ্যে এরকম (অদ্ভুত ধারনা) প্রবেশ করাচ্ছে। এবং মানুষ তাদের আলিম মনে করছে৷ হাদীসকে দুর্বল করে দিচ্ছে তাদের নিজস্ব নফসের অনুসরণ করতে গিয়ে অর্থাৎ যা তাদের ভালো খারাপ লাগছে সেরকমভাবে। ইবনু মাহদী (ইমাম শাফিঈ رحمه الله এর শাইখ ছিলেন) বলেন, “ঐ ব্যক্তি আলিম নয়, যে কিনা অদ্ভুত মতামত রাখে, উলামাদের কাজগুলোকে ভ্রুক্ষেপ না করে।” আলিম তো সেই, আমরা যখন তাঁর কাজগুলো দেখবো, ফতোয়াগুলো যখন দেখবো, তাঁর ইজতিহাদের ক্ষেত্রে সঠিক ও ভুল দুটোই হতে পারে, তবে সঠিক হবে বেশি। যদিও আমরা মনে করি না যে আমাদের আলিমগণ ভুলেন উর্ধ্বে!

আমরা জানি তিনি সঠিক ও ভুল দুটোই করতে পারেন। হাফিজ ইবনু আব্দুল বার, হাফিজুল মাগরিব, তিনি বলেন, “আলিমগণ ভুল ছাড়া নয়। যদি তিনি ছোট ভুল করেন, কিন্তু অনেক বেশি সঠিক বলেন, তিনি একজন আলিম। যদি কেউ অল্প কিছু সঠিক বলে, আর অনেক বেশি ভুল করে তবে সে জাহিল।”

তাছাড়াও একজন ব্যক্তি আলিম তখন, যখন সে দ্বীনের প্রতিরক্ষা করতে পারেন। তাঁর সেই ক্ষমতা আছে। যখন আপনি তাদের থেকে শুনবেন, আমার ভেতরে কিছু সন্দেহ আছে, সন্দেহগুলো আমার মধ্যে অনেক বছর ধরে। তাই তুমি আলিম নও, এজন্যই এসব তোমার ভিতরে সন্দেহ তৈরি করছে। আলিমের দ্বীনকে প্রতিরক্ষা করার ক্ষমতা ও ধৈর্য আছে।

রসুলুল্লাহ ﷺ বলেন,”একসময় একদল আলিম আসবে, তারা নির্ভরযোগ্য লোক থাকবে, তারা দ্বীনকে বাড়াবাড়ির ব্যাখ্যা থেকে রক্ষা করবে। তারা দ্বীনকে নতুনত্ব যোগ করা থেকেও রক্ষা করবে। এবং জাহিলদের ব্যাখ্যা থেকেও রক্ষা করবে।” অন্য এরকম একটি বর্ননায় খতিব আল বাগদাদী তাঁর বইতে “শারফে আসহাবুল হাদীস” ইবনে আব্দুল বার তাঁর ‘তামহিদে’ এইরকম বর্ননা এনেছেন। মনোযোগ দাও শাহীদ (উপস্থাপক), এটা হলো দুটি বিষয়ের যোগফল করা, সে দ্বিনকে প্রতিরক্ষা করতে পারবে রিওয়ায়াত ও দিরাওয়াত দ্বারা। সনদসহ বর্ণনা যা তাঁর মস্তিষ্কে গেঁথে আছে।

আমি পিছিয়ে আসতে বাধ্য হই, যখন আমি ইমাম আহমাদ ইবনে হান্বালের মন্তব্য শুনি।ইমাম আহমাদকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো একজন ব্যক্তি কি ফতোয়া দিতে পারবে যদি তার এক লক্ষ হাদীছ মুখস্ত থাকে আর অবশ্যই ক্বুরআন মুখস্থ থাকে? তাঁর এক লক্ষ হাদীছ মুখস্ত, সে কি ফতোয়া দিতে পারবে? তিনি জবাবে বললেন, “না”৷ তারপর যোগ করা হয় যদি দুই লক্ষ? তিনি বললেন, “না।” তারা যোগ করলো তিন লক্ষ যদি হাদীছ মুখস্ত থাকে? আচ্ছা যদিও, হাদীছ মুখস্ত বলতে ইমাম আহমাদের সময় বুঝানো হয়েছে সনদ সহ মুখস্থ অর্থাৎ কে কার মাধ্যমে বর্ণনা করেছে সেটা সহ মুখস্থ থাকা। তিন লক্ষ হাদীছ মুখস্ত! তিনি কি ফতোয়া দিতে পারবেন? তিনি জবাবে বললেন, “না!” তারা এরপর বললেন, চার লক্ষের ক্ষেত্রে? তিনি বললেন, “হয়তো পারবে।” (উস্তায ও উপস্থাপক দুজোনেই হেসে উঠলেন)এরপর মানুষ চেচামেচি করে বলতে লাগলো আলিমগণ বর্ননায় বলেন, “ভাই, এতো বড় কঠিন ও অধ্যাবসায়ের কাজ! সুবহান আল্লা-হ্!” ব্যক্তি দ্বীনকে প্রতিরক্ষা করতে পারবে।

আব্দুল কালিম ইবনে আউযান, তিনি বের হলে তাকে মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান পাকড়ে ধরে, এবং বলে তাঁকে হত্যা করা হবে! তখন তিনি বললেন, “হত্যা করো, যদি তুমি চাও। আমি মারা যাবো, চার হাজার হাদীস রেখে। যেগুলো দ্বারা আমি হারাম যেগুলো ছিলো সেগুলোকে হালাল করেছি। হালাল যেগুলো ছিলো সেগুলোকে হারাম করেছি।” শাসক তাকে বললো, “তুমি মারা যাবে অবশ্যই। এটাকে কোনকিছু পরিবর্তন করতে পারবেনা। তবে আলিম রেখে যাও এই বিষয়গুলোর জন্য”। আব্দুর রহমান ইবনে মেহেদি সেটা নিলো, আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক সেটা নিলো। বর্ননায় এসেছে আবুনাইম যেভাবে বলেছে। মানে, এই লোকগুলো বসলো ও উক্ত বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করলো৷

আমাদের বর্তমানের লোকেরা? যখন সন্দেহ আসলো, বলতে লাগে, “আআআ! হতে পারে এটাও ঠিক ওটাও ঠিক!”ইসলামে, এটা শেষে যুক্ত করছি ঠিকাছে? ইসলামে, বড় বড় উলামারা, যারা দ্বিনকে আমাদের পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন, তাঁরা শুধু পৌছাননি, তারা সেই লোকগুলোর মধ্যে আছেন, যারা দ্বীনকে রক্ষা করেছিলো মুসলিমদের জন্য। তাদের উন্নতি ও সম্মানের কারন হচ্ছে উলামা।

কবি বলেন,৭ জন ফক্বিহ যারা মদীনায় বসতো, যাদের জ্ঞান ছিলো সমুদ্রের সমতূল্য তাদের বর্ননা, তাদের বুঝ, তাদের জ্ঞান ৭ জন, উবাইদুল্লাহ্, উরওয়াত, কাসিম, সাঈদুন, আবু বাকরি, সুলাইমান ও খারিজা। ৭ জন ব্যক্তি। যেটা পরবর্তীতে আমাদের চার ইমামের কাছে পৌছেছে। আবু হানিফা, মালিক, শাফিঈ ও আহমাদ ইবনে হান্বাল৷ এবং শিক্ষাক্রম যা তাদের থেকে বের হয়েছে।

যে জিনিসটা আমি বুঝাতে চাচ্ছিলাম যে, আমরা জাহিলদের থেকে কাজ কর্ম চাইনা। আমরা চাইনা অজ্ঞরা আমাদের চালাক। আমরা চাইনা। আমরা চাই তারা আমাদের চালাক, আমাদের সমস্যাগুলো সমাধান করুক, যারা কিনা আলিম। শাইখুল ইসলাম একটা উদাহারন দেন। ইবনে তাইমিয়ার নখের সমান নই আমরা। তিনি কেমন ছিলেন, তাঁর জ্ঞান কদ্দুর ছিলো? ইমাম ইবনু হাজার رحمه الله তিনি একটা বইয়ের প্রশংসা করেন, “আর রদ্দুল ওয়াফির” ইমাম নাসিরুদ্দিন আদদিমিস্কির লেখা। এই বইটা ইবনু তাইমিয়ার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ইবনু হাজার সেই বইটি নিয়েছিলো, পড়েছিলো এবং তিনি সেটার তাকরিদ করলেন। তাকরিদ মানে, সে ঐ বইটির প্রশংসা লেখলেন। এবং তিনি ইবনু তাইমিয়া সম্পর্কে বললেন। তিনি বললেন ইবনু তাইমিয়া সম্পর্কে, কত মহান তিনি ছিলেন! তিনি বলেন, এবং সাতটি নিয়মে আলিম হওয়া যায়।

তিনি সম্মান করে বলেন, “যদি ইবনু তাইমিয়ার আর কিছু না থাকতো, অন্য কোন অবদান না থাকতো। তিনি যদি ইবনু কাইয়্যিমের শিক্ষকই শুধু থাকতেন, মানুষ যে পরিমাণ উপকার পেয়েছে ইবনু কায়্যিমের খিদমত থেকে, যদি ইবনু তাইমিয়ার অন্য কোন অবদান না-ও থাকতো, মানে অন্য কোনকিছু না থাকতো সম্মানের, শুধুমাত্র তাঁর ছাত্র ইবনুল কায়্যিম থাকতো, এটাই যথেষ্ট লাগতো ইবনু তাইমিয়াকে একজন (বড়) আলিম বলতে।”

মূল- উস্তায আব্দুল রহমান হাসান,

লিংক- https://youtu.be/J04zInpH2Vs

বঙ্গানুবাদ- মুহাইমিনুর রহমান স্নিগ্ধ।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

19 + three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য