| اَلْفصْلُ الثَّنِفْ |
| وَعَنْ أَبِي مُوسَى قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَحَبَّ دُنْيَاهُ أَضَرَّ بِآخِرَتِهِ وَمَنْ أَحَبَّ آخِرَتَهُ أَضَرَّ بِدُنْيَاهُ فَآثِرُوا مَا يَبْقَى عَلَى مَا يَفْنَى» . رَوَاهُ أَحْمد وَالْبَيْهَقِيّ فِي «شعب الْإِيمَان» اسنادہ ضعیف ، رواہ احمد (4 / 412 ح 1993) و البیھقی فی شعب الایمان (10337 ، نسخۃ محققۃ : 9854 و فی السنن الکبری 3 / 370) [و الحاکم (3 / 319 ، 4 / 308)] * وقال المنذری :’’ المطلب : لم یسمع من ابی موسی ‘‘ ۔ |
আবু মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন : যে ব্যক্তি (যে পরিমাণ) ইহকাল ভালোবাসে সে (সে পরিমাণ) তার পরকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে, পক্ষান্তরে যে পরকালকে মুহাব্বাত করে, সে সেই পরিমাণ ইহকালকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। অতএব যা অচিরেই ধ্বংস হয়ে যাবে তার উপর তাকে প্রাধান্য দাও যা চিরস্থায়ী থাকবে। (আহমাদ ও বায়হাক্বী’র শুআবুল ঈমান) সহীহ: মুসনাদে আহমাদ ১৯৭১২, শুআবুল ঈমান ১০৩৩৭, সহীহ ইবনু হিব্বান ৭০৯, আল মুসতাদরাক লিল হাকিম ৭৮৫৩, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৬৭৫১, আলবানী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটিকে প্রথমে য’ঈফ বলছিলেন- য’ঈফাহ ৫৬৫০, যঈফুল জামি’ ৫৩৪০, তারপর তিনি সহীহার ৩২৮৭নং এ উল্লেখ করেছেন। দেখুন- তারাজুআতুল আলবানী ফিত তাসহীহ ১১১। ব্যাখ্যা : (فَآثِرُوا مَا يَبْقَى عَلَى مَا يَفْنَى) অবিনশ্বরকে নশ্বরের উপর প্রাধান্য দাও। ইমাম গাযালী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, যার সামান্য জ্ঞান ও ঈমান আছে সে ব্যক্তি এটা জানে যে, দুনিয়া অস্থায়ী এবং আখিরাত চিরস্থায়ী। আর এ জানার ফল হলো যে, সে অস্থায়ী বস্তুর প্রতি বিমুখ হবে এবং স্থায়ী বস্তুর প্রতি মনোযোগী হবে। আর অস্থায়ী বস্তুর প্রতি বিমুখতা ও স্থায়ী বস্তুর প্রতি মনোযোগিতার আলামত হলো সে মৃত্যু আসার পূর্বেই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করবে। ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, দুনিয়া ও পরকাল হলো বাট-খারার দু’টি পাল্লা। একটি ভারী হলে অন্যটি হালকা হবে। অতএব দুনিয়ার পাল্লা ভারী হলে পরকালের পাল্লা হালকা হবে। তাই রাসূলুল্লাহ স্থায়ী বস্তুকে প্রাধান্য দিতে বলেছেন যাতে পরকালের পাল্লা ভারী হয়। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ) |
