Tuesday, March 10, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরগঙ্গার তীরের মরদেহগুলো খাচ্ছে চিল-শকুনে

গঙ্গার তীরের মরদেহগুলো খাচ্ছে চিল-শকুনে

সম্প্রতি ভারতের উত্তরপ্রদেশের ২৭ জেলায় গঙ্গার তীরে কবর দেওয়া হয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। গঙ্গার ১১৪০ কিলোমিটার যাত্রাপথে নদীর তীরে ২ হাজারের বেশি মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়।

সংবাদ মাধ্যম আনন্দ বাজারের বরাতে জানা যায়, গত কয়েক দিনে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও বিহারে নদীতে ভাসতে দেখা গিয়েছে অসংখ্য মৃতদেহ। এমন ভিডিয়ো সামনে এসেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে করোনায় মৃতদের দেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কনৌজের মহাদেবী গঙ্গাঘাটে কর্মরত রাজনারায়ণ পাণ্ডে নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘‘বার বার মৃতদেহগুলি মাটি চাপা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু গঙ্গার পানিরস্তর বাড়লে মাটি সরে যাচ্ছে। গঙ্গাঘাটের কাছে ৩৫০-র বেশি মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। অনেক সময় মৃতদেহ নদীতে ভেসে যেতে দেখা যাচ্ছে।

কানপুরের শেরেশ্বর ঘাটের স্থানীয়রাই বলছেন, ৪০০-র বেশি মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে সেখানে। মাটি সরে গিয়ে কিছু মৃতদেহ বেরিয়ে পড়ছে। তার উপর চিল, শকুন গিয়ে বসছে। এর থেকে সংক্রমণ ও দূষণ দুইই ছড়াতে পরে বলে আশঙ্কা করছেন পরিবেশবিদরা।

উন্নাওয়ের অবস্থা সব থেকে খারাপ। এখানকার দু’টি ঘাট (শুক্লাগঞ্জ ও বক্সার)-এর কাছে ৯০০-র বেশি মৃতদেহ কবর দেওয়া হয়েছে বলে খবর। কুকুর, শেয়ালে অনেক মৃতদেহ টেনে বের করে নিয়ে আসছে।

পরিবেশবিদরা বলছেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে সেই মৃতদেহের শেষকৃত্যের একটা বিশেষ পদ্ধতি থাকে। এ ভাবে কবর দিলে সেটা শুধু পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক তা নয়, সেখান থেকে সংক্রমণও দ্রুত ছড়াতে পারে। তা ছাড়া এই মৃতদেহ গঙ্গায় ভেসে গেলে পানিও দূষিত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে।

করোনায় মারা গেলেন মমতার ভাই

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমে খবর, উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর, মেরঠ, মুজফ্ফরনগর, বুলন্দশহর, হাপুর, আলিগড়, বদায়ুঁ, শাহজাহানপুর, কনৌজ, কানপুর, উন্নাও, রায়বরেলী, ফতেপুর, প্রয়াগরাজ, প্রতাপগর, মির্জাপুর, বারাণসী, গাজিপুর, বালিয়া প্রভৃতি জেলায় এই ছবি দেখা গিয়েছে। তার মধ্যে কানপুর, কনৌজ, উন্নাও, গাজিপুর ও বালিয়ার অবস্থা সবথেকে খারাপ।

ইত্তেফাক/এএইচপি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eleven − 9 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য