Tuesday, July 16, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরচারটি নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী

চারটি নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অদূরে বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের নৌবাহিনী ৪টি মাছ ধরার নৌকাসহ ২০ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। জেলেদের নাম-ঠিকানা তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে তাঁরা উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়াদিয়ার অদূরে সীতাপাহাড় নামের বঙ্গোপসাগর এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন সাবরাং ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মোহাম্মদ নুরুল আমিন।

মিয়ানমারের নৌবাহিনীর সদস্যরা নৌকাসহ ধরার পর জেলেদের অনেক মারধর করেছেন। তিনটি নৌকার জালগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

নুরুল আমিন জানান, বুধবার দুপুরে দিকে বঙ্গোপসাগরের সীতাপাহাড় এলাকায় টেকনাফ উপজেলা সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝেরপাড়া গ্রামের আমির হোসেন, আবুল বশর ওরফে বাইল্যা, ডাঙ্গারপাড়ার অলি আহমদ ও আমিরুল ইসলামের মালিকানাধীন ৪টি নৌকাসহ ২০ জেলেকে অস্ত্রের মুখে ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমারের নৌবাহিনী। বিষয়টি মুঠোফোনে নৌকার মালিকেরা জানিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, মিয়ানমারের নৌবাহিনীর সদস্যরা নৌকাসহ ধরার পর জেলেদের অনেক মারধর করেছেন। তিনটি নৌকার জালগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে।

গত ১০ নভেম্বর নাফনদীর মোহনা ও বঙ্গোপসাগর থেকে ৯ জন বাংলাদেশি জেলেসহ ১টি মাছ ধরার নৌকা ধরে নিয়ে যায় মিয়ানমার। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় ২৩ দিনের মধ্য পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাঁদের ফেরত আনা হয়।

ওই অংশটি কোস্টগার্ড সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কেউ বিষয়টি বিজিবিকে জানায়নি।

মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান, টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক

সেন্ট মার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কেউ ধরেননি। কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, ওই এলাকা সেন্ট মার্টিন কোস্টগার্ডের আওতাধীন।

জানতে চাইলে টেকনাফ ২ বিজিবি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান প্রথম আলোকে বলেন, ওই অংশটি কোস্টগার্ড সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে কেউ বিষয়টি বিজিবিকে জানায়নি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

5 × 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য