Wednesday, April 17, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবর‘চাল আত্মসাতকারী’ চেয়ারম্যান স্বামীকে জেতাতে ভোটে দাঁড়ালেন স্ত্রী

‘চাল আত্মসাতকারী’ চেয়ারম্যান স্বামীকে জেতাতে ভোটে দাঁড়ালেন স্ত্রী

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী জাহেদুল ইসলামকে জেতাতে ভোটে দাঁড়ালেন তার স্ত্রী শামীমা নাসরীন সাইমা।

আজ বৃহস্পতিবার প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দে শামীমা নাসরীন সাইমা টেলিফোন প্রতীক পান। কিন্তু মনোনয়ন সংগ্রহের পর থেকে এ পর্যন্ত কোনো প্রচার প্রচারণায় অংশ নেননি তিনি। এ প্রার্থীর স্বামী নৌকা প্রতীকের তথা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রায় প্রতিদিনই আচরণবিধি লঙ্ঘন করে মিছিল, মিটিং ও শোভাযাত্রা করে যাচ্ছেন।

টৈটং ইউপি নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শহিদুল্লাহ বলেন, মূলত ডামি (ছায়া) প্রার্থী হিসেবে নিজের স্ত্রীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করাচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী। প্রতি ভোট কেন্দ্রে এজেন্ট বাড়িয়ে প্রভাব বিস্তারের জন্য এটি করা হয়েছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহেদুল ত্রাণের চাল আত্মসাতের ঘটনার অভিযুক্ত হওয়ায় প্রতিদ্বন্দ্বীতা থেকে ছিটকে পড়ার আশঙ্কা ছিল তার।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টৈটং ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী শামীমা নাসরীন সাইমা বলেন, ‘নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার উদ্দেশ্যে আমি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছিলাম। এখন যেহেতু আমার স্বামী দ্বিতীয়বারের মতো নৌকা প্রতীক পেয়েছে, তাই আমি আমার স্বামীকে জেতাতে কাজ করব। আপনারা সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমার স্ত্রী শামীমা নাসরীন সাইমা একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি জেতার জন্য নির্বাচনে লড়ছেন। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কেন আমাকে জেতাতে কাজ করবেন?’

উল্লেখ্য, সরকারের ত্রাণের ১৫ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগে ২০২০ সালের ২৮ এপ্রিল টৈটং ইউনিয়ন পরিষদের গত মেয়াদের চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে পেকুয়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম। মামলা রজু হওয়ার পর দিন ২৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কার করে। একই সঙ্গে ৩০ এপ্রিল তাকে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ টৈটং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ থেকেও বহিষ্কার করে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের তদন্তে জাহেদুল ইসলাম চৌধুরীর চাল আত্মসাতের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত বছরের ২৯ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় তাকে ওই পদ থেকে স্থায়ী বরখাস্ত করে চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

five × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য