Wednesday, April 17, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরজেরুজালেমে মাসজিদ ভাঙ্গার আদেশ ইসরাইলি আদালতের

জেরুজালেমে মাসজিদ ভাঙ্গার আদেশ ইসরাইলি আদালতের

ফিলিস্তিনের গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে, সিলওয়ান শহরের মসজিদটির ভাংগার আদেশকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য ২১ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।

ইসরায়েলের একটি আদালত পূর্ব জেরুজালেমের সিলওয়ান শহরের একটি মাসজিদ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। ফিলিস্তিনের স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, তিনি. মাসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে ‘প্রয়োজনীয় অনুমতির অভাব’ ছিল জানিয়েছে ইসরায়েলি আদালত ।

এদিকে গাজার অর্থ এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ফিলিস্তিনি গণমাধ্যমে প্রচারিত একটি বিবৃতিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। তারা ওই আদেশের নিন্দা জানিয়ে ইসরায়েলকে সতর্ক করে দিয়েছে।

আরব লিগ ও ওআইসি সহ বিশ্বে মুসলিম দেশগুলোকে জেরুজালেমে মুসলিমদের পবিত্র স্থান ও ইবাদত কেন্দ্র গুলির উপর ইসরাইলি আগ্রাসন বন্ধে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিছেন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ।

গণমাধ্যমে খবরে বলা হয়েছে, এই আদেশকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য সিলওয়ান শহরের বাসিন্দাদের ২১ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। তা না হলে কাকা বিন আমর নামের ওই মাসজিদ ভেঙে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

২০১২ সালে নির্মিত দোতলা ওই মাসজিদটিতে শত শত মুসল্লি প্রতিনিয়ত নামাজ আদায় করেন। ২০১৫ সালেও মাসজিদটি ভেঙে ফেলার জন্য আদেশ জারি করা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত আর ভাঙার জন্য জোরাজুরি করা হয়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিলওয়ানে বহু ফিলিস্তিনির ঘরবাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা। সিলওয়ান শহরটি আল-আকসা মাসজিদের কাছাকাছি অবস্থিত।

ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি জেরুজালেমে তাদের ধ্বংসযজ্ঞের অভিযান তীব্র করেছে। বিশেষত সিলওয়ান এলাকায় ফিলিস্তিনিদের কয়েক ডজন বাড়িঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠী আইআর আমিমের মতে, ইসরায়েলী কতৃপক্ষ পূর্ব জেরুজালেমে ফিলিস্তিন অঞ্চলের বাড়ি গুলির উপর আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হারে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।

একটি প্রতিবেদনে তারা বলে, ২০১৮ সালে বাড়িঘর উচ্ছেদের সংখ্যা ছিল ৭২, এই সংখ্যা ২০১৯ এ বেড়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১০৪এ।

২০১৬ থেকে ২০১৮তে ধ্বংসের পরিমাণ যদিও নিম্নমুখী ছিল তবে এখন তা আবার ৪৪% বৃদ্ধি পেয়েছে।

ইসরায়েলী কতৃপক্ষ বলছে যে, ভেঙে ফেলা ঘরগুলি অবৈধভাবে নির্মিত হয়েছিল এবং আদালত ধ্বংসের অনুমতি দিয়েছিল। ফিলিস্তিনিরা বলেছে যে, বিল্ডিং তৈরির পারমিট দেওয়ার বিষয়ে ইসরায়েল সরকার সবসময় অনীহা প্রকাশ করে আসছে। ফলে ফিলিস্তিনিরা তীব্র আবাসন সঙ্কটের মুখোমুখি হয়ে গেছে।

পূর্ব জেরুজালেম দখলের পর পর, ইসরায়েলিরা খালি জমিগুলির বৃহৎ অঞ্চলগুলিকে দখলের মাধ্যমে শহরের সীমানা প্রসারিত করতে থাকে পরে এগুলোতে ইহুদি জনবসতি গুলো নির্মাণ করা হয় যেগুলি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে অবৈধ হিসাবে বিবেচিত হয়।

একই সাথে, এটি ফিলিস্তিনি পাড়াগুলির সম্প্রসারণকে তীব্রভাবে সংকীর্ণ করে দেয়, এবং ক্রমবর্ধমান জনাকীর্ণ অঞ্চলে অনেক ফিলিস্তিনিকে, অবৈধভাবে বাড়িঘর নির্মাণ করতে বাধ্য করে। 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

5 − 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য