Wednesday, February 28, 2024

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরজেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়ে দুর্নীতি মামলার আসামি

জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পেয়ে দুর্নীতি মামলার আসামি

সিলেট জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পাওয়ার তিন মাসের মধ্যেই গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার জাফলং নয়াবস্তির বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইনছান আলী বাদী হয়ে ওসিসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে রোববার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছেন। আদালত মামলা আমলে নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ শাহ আলম।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- গোয়াইনঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল মান্নান, উপজেলার মামারবাজার এলাকার ইমরান হোসেন ওরফে জামাই সুমন, বাল্লাঘাটের আলাউদ্দিন, নয়াবস্তির পাখি মিয়ার ছেলে সমেদ, ফয়জুল ইসলাম, মো. ফিরোজ, রহমত আলী ও সানু মিয়া। তাদের বিরুদ্ধে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন জায়গায় জোর করে পাথর উত্তোলনের সুযোগ দিয়ে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। 

গত নভেম্বরে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসির পুরস্কার পান আব্দুল আহাদ। তার বিরুদ্ধে আদালতে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা ইনছান আলী মামলায় উল্লেখ করেন, ওসি আব্দুল আহাদ ও এসআই আব্দুল মান্নান তার জমিতে অন্য আসামিদের পাথর তুলতে দিয়ে আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। তিনি নিষেধ করলে তাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। এমনকি সরকারি খাস জমি থেকে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তা আসামিদের পাথর উত্তোলনের সুযোগ করে দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে যন্ত্র দিয়ে পাথর উত্তোলন করায় পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

মামলার বিষয়ে গোয়াইনঘাট থানার ওসি আব্দুল আহাদকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেননি।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

seven + sixteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য