Thursday, February 22, 2024

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরতীব্র জ্বালানি সঙ্কটে হুমকির মুখে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতি

তীব্র জ্বালানি সঙ্কটে হুমকির মুখে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনীতি

তীব্র জ্বালানি সংকটে নিমজ্জিত দক্ষিণ আফ্রিকা। দেশজুড়ে দৈনিক ১২ ঘণ্টার ব্ল্যাকআউট চলছে দেশটিতে। জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। খবর দ্য ন্যাশনাল। ২০০৭ সাল থেকেই লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। সাম্প্রতিক সময়ে তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহের ৯০ শতাংশ আসে কয়লা খাত থেকে। তবে কয়লা উৎপাদন খাতগুলোর দুর্দশা চলছে এখন দেশটিতে। কর্মীদের আন্দোলন এ পরিস্থিতিকে আরো শোচনীয় করে তুলেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা এসকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আন্দ্রে দে রুয়টার জানান, কর্মীরা কর্মক্ষেত্রে না ফিরে এলে দেশের অর্থনীতি বিরাট ক্ষতির মুখে পড়তে পারে। মূলত ১৫ শতাংশ বেতন বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই কর্মী ইউনিয়নগুলোর এ আন্দোলন। এদিকে এসকমের তথ্য বলছে, ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রই ভেঙে পড়েছে। ব্ল্যাকআউটকে গভীর সংকট বলে আখ্যা দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। আলেক্সান্ডার ফোর্বসের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইসাহ লাংগা বলেন, লোডশেডিং পরিস্থিতি এ রকম থাকলে দৈনিক ৪১০ কোটি রেন্ড (২৫ কোটি ডলার) ক্ষতি হবে দেশের অর্থনীতির। এদিকে অর্থনীতির চরম বিপর্যয়ের মুখে বিকল্প খুঁজছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো। গত বছর এসকমের একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধের লক্ষ্যে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানায় দক্ষিণ আফ্রিকান সরকার। বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের ১০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমোদন দেয়া হয়, যা একটি ছোট শহরের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সক্ষম। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ঘরের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করছে দক্ষিণ আফ্রিকার অধিবাসীরা। এ সত্ত্বেও অনেক করপোরেট জ্বালানি ব্যবহারকারীদের জন্য জাতীয় গ্রিডই বিদ্যুতের একমাত্র উৎস। আফ্রিকার বৃহত্তম মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক সংস্থা এমটিএন জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে টাওয়ারের কার্যক্রম চালিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এমটিএনের করপোরেট অ্যাফেয়ার্সের কর্মকর্তা জ্যাকি ও’ সুলিভান জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে মূলত ব্যাটারি ও ডিজেলচালিত জেনারেটর ব্যবহার করা হয়। তবে এগুলো দীর্ঘ সময় ধরে চালিয়ে রাখা সম্ভব নয়। খুব শিগগিরই এ পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই। সংকট কাটাতে জোহানেসবার্গ, কেপটাউন ও প্রিটোরিয়ার মতো বড় শহরগুলো বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা বাড়াচ্ছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার কারণে দেশের বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। এতে করে লোকসানে আছেন ব্যবসায়ীরা। একই সাথে দেশের অর্থনীতির জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে লোডশেডিং। দ্য ন্যাশনাল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

sixteen − twelve =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য