Thursday, July 25, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমনিবেদননোবেল পুরস্কার

নোবেল পুরস্কার

বর্তমান পৃথিবীকে যে পরিবারগুলো নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের মধ্যে সর্বপ্রথম উত্থান ঘটেছে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির। গোটা ইউরোপ দাপিয়ে বেড়িয়েছে এই ইহুদি পরিবার। আমেরিকার উত্থানের ঠিক আগ মুহূর্তে আমেরিকাতেও নিজেদের অর্থনৈতিক সাম্রাজ্য শক্তিশালী করেছে তারা।

এই পরিবারের প্রধান মেয়ার এমশেল্ড রথসচাইল্ড মৃত্যুর আগে দুটি বিষয় বলে গিয়েছিল।

এক; পরিবারের নারীরা পরিবারের সম্পত্তির ভাগ পাবে না।
দুই; পরিবারের ব্যবসায় বাইরের কাউকে নেওয়া যাবে না।

নারীরা সম্পত্তির ভাগ পাবে না এটা সে বলেছিল যেন এই পরিবারের মেয়েরা বাইরে বিয়ে না বসে। যদি পরিবারের ভেতর বিয়ে বসে, তাহলে সম্পত্তির মালিকানা তাদের ভেতরেই থাকবে। আঠারো শতকে দেখা গেছে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির ৩৬ টা বিয়ের মধ্যে ৩০ টাই হয়েছে পরিবারের ভেতর।

ফলে একদিকে যেমন পরিবারের সম্পত্তি পরিবারের ভেতরেই ছিল। অপরদিকে ব্যবসার সিক্রেট পরিবারের বাইরে যায় নাই।

তৃতীয়ত, তারা এতটাই গোপনীয়তা রক্ষা করত যে তাদের ঘরবাড়িতে বাহিরের কেউ তো যেতে পারতই না, এমনকি কাজের লোকজনও বাহির থেকে নিত না। যারা কাজ করতেছে, তাদের সন্তানাদি থেকেই চুজ করা হত।

তো যেই পরিবারের মেয়েরা নিজেদের পরিবারের বাইরেই যায় না, তারা ইহুদিধর্মের বাইরে যাবে, তা কল্পনাতীত।

কিন্তু অতি বিরল কিছু ঘটনা ঘটেছে যেখানে তারা অ-ইহুদিদের সাথে বৈবাহিক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে।

তন্মধ্যে একজন হল নোবেল বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন! তার তৃতীয় স্ত্রী এমা রথসচাইল্ড আমাদের আলোচ্য রথসচাইল্ড পরিবারের মেয়ে!

এখন একটা প্রশ্ন করা যায় যে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির মেয়েরা অমর্ত্য সেনের ভেতর কী এমন পেয়েছে যা তাদের পরিবারের ভেতর পায় নাই। নাকি এটি বিশ্বের তুখোড় মেধাগুলোকে নিজেদের করে নেওয়ার জন্য ফাঁদা হানি ট্র্যাপ??

কিছু পয়েন্ট নোট করেন-

অমর্ত্য সেন প্রথম বিয়ে করেছে ১৯৫৮ সালে নবনিতা সেনকে। তাদের এই সংসার টিকেছিল ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত। ১৯৭৮ সালে সেন দ্বিতীয় বিয়ে করেন ইভা কোলোর্নিকে। এই বিয়ে ১৯৮৫ পর্যন্ত টিকে ছিল।

তৃতীয় বিয়ে করেন ১৯৯১ সালে এমা রথসচাইল্ডকে। এর মাত্র সাত বছরের মাথায় ১৯৯৮ সালে অমর্ত্য সেন অর্থনীতিতে নোবেল পান।

কিন্তু সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন? যেই কাজের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পাইছে, তা তিনি রচনা করেছিলেন সেই ১৯৮১ সালে!!

পাকা ১৮ বছরেও তার এই কাজ নোবেল জয়ের যোগ্য হয় নাই? ১৯৯৮ সালে এসে কী এমন আহামরি বিপ্লব ঘটে গেছে যে ১৯৮১ সালের কাজের জন্য তাকে নোবেল দিতে হবে। যদি দিতেই হয় তাহলে এতদিন কেন নয়? কেন ১৯৯৮?

এসবের উত্তর পেতে হলে আপনাকে ১৯৯১ সালের বিয়ের দিকে চোখ ফেরাতে হবে।

এবার আরও ইন্টারেস্টিং দিকে যাই। বাংলাদেশে শান্তিতে নোবেল পাইছে তো একজনই, ডক্টর ইউনুস। আপনারা হয়তো জানেন অমর্ত্য সেন যে ডেভেলপমেন্ট বা উন্নয়নের যে থিওরি দিছে তা বর্তমানে ক্যাপাবিলিটি এপ্রোচ নামে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের অন্তর্ভুক্ত।

এবং বাংলাদেশে এই এপ্রোচ প্রয়োগ করেছে ডক্টর ইউনুসের গ্রামীন ব্যাংক! ক্যাপাবিলিটি এপ্রোচের মূল কথাই সমাজের মানুষকে সক্ষমতা সম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে। যদি প্রকৃত উন্নয়ন ঘটাতে হয়।

এই থিওরিটাকেই ডক্টর ইউনুস নিজের ভাষায় বলেন সামাজিক ব্যবসা। অর্থাৎ এমনভাবে বিজনেস করতে হবে, যার দ্বারা একদিকে যেমন আমার বিজনেস লাভবান হবে, যারা এই বিজনেসের গ্রাহক, তাদের নিজেদের সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

এতে আশ্চর্যের কিছুই নাই যে অমর্ত্য সেনের মাত্র ৮ বছর পর ডক্টর ইউনুসও নোবেল পুরষ্কার পেয়ে গেছেন। বাংলাদেশে ইউনুস এমন কী করে ফেলেছেন যা অন্য কেউ পারে নাই। ফজলে হাসান আবেদ পারে নাই।

কিন্তু কেউ নোবেল পায় না, এমনকি গণতন্ত্রের মানসকন্যাও না, শুধু ইউনুস কেন পায়, গোড়াটা ধরতে পারছেন? কোথায় বাধা??

হ্যাঁ, রথসচাইল্ড ফ্যামিলির আশীর্বাদ আর সুদৃষ্টি।

রাকিবুল হাসান

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

twenty − thirteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য