Wednesday, April 17, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরবিবাহিতা হয়েও রূপের ঝলকানিতে কুমারী প্রমাণে ব্যস্ত

বিবাহিতা হয়েও রূপের ঝলকানিতে কুমারী প্রমাণে ব্যস্ত

একাধিক বিয়ে হলেও রূপ ও যৌবনের ঝলক ছড়িয়ে নিজেকে কুমারী দাবি করেন শাহনাজ পারভীন রূপা। তার ফাঁদে পড়েছে একাধিক যুবক, জনপ্রতিনিধিসহ নানা পেশার মানুষ। রূপ দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার শাহনাজ পারভীনের বয়স ২৩ বছর। তথ্য গোপন করে সরকারি চাকরি করার অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনক কারণে বহাল তবিয়তে রয়েছেন তিনি।

জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও এখনো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তথ্যগুলো প্রকাশের পর রূপা তার সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংশোধনের জন্য দৌঁড়ঝাপ শুরু করেছেন। নিজেকে কুমারি বানাতে ঘনিষ্টতা তৈরি করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গেও।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইউনিয়নের একাধিক ইউপি সদস্য জানান, টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শরীফ নজরুল ইসলামকে পালক পিতা সাজিয়ে মেয়ে পরিচয় দেয়ায় ব্যবস্থা নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। তাছাড়া, চেয়ারম্যানের সঙ্গে ইদানীং ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে রূপার।

যদুনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর ফিরোজ আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, সরকারি চাকরি বিষয়ে কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে সে তথ্য গোপন করে চাকরি নিয়েছে কিনা। জন্ম ও মৃত্যু সনদের ক্ষেত্রে আমি স্বাক্ষর দিয়েছি। রূপার সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ কোনো সম্পর্ক নেই।

শাহনাজ পারভীন রূপার শিক্ষাগত সনদপত্র ও সরকারি চাকরিতে আবেদন এবং কাবিননামায় যে তথ্য দিয়েছে তার একটির সঙ্গে আরেকটির মিল নেই। এমন অনেক জায়গায় তিনি নিজেকে অবিবাহিতও দাবি করেছেন।

এদিকে তথ্য প্রমাণে জানা যায়, ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে পার্শ্ববর্তী মধুপুর উপজেলার আম্বাড়ীয়া গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে রোকনুজ্জামানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে রূপার বিয়ে হয়। বিয়ের দেড় বছরের মাথায় পরকীয়া প্রেমে পালিয়ে গিয়ে রোকনুজ্জামানের বন্ধু একই উপজেলার মোল্লাবাড়ী এলাকার মৃত হাজী শহীদ আলীর ছেলে মনির হোসেনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিয়ে হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান, শাহানাজ পারভিন রূপা বিভিন্ন ছেলের সঙ্গে একাধিক বিয়ে করছে। তাদের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে তাদের তালাকও দিয়েছে।

শাহনাজ পারভীন রূপার সাবেক স্বামী মনির হোসেন জানান, অনেক ছেলেকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে টাকা পয়সা নিয়ে পরবর্তীতে অন্য ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে রূপা। এটা তার একরকম নেশা।

অপরদিকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে প্রতারণার অভিযোগে শাহনাজ পারভীন রূপা ওরফে রিপার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল আদালতে মামলা দায়ের করেছেন এক যুবক। আসামিরা হলেন, ধনবাড়ী উপজেলার মমিনপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী মণ্ডলের মেয়ে শাহনাজ পারভীন রূপা ওরফে রিপা (২৩), রূপার বোন সিমা আক্তার (১৯), রূপার মাতা শিউলি বেগম।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শাহনাজ পারভীন রূপা মুঠোফোনে জানান, মামলা চলমান রয়েছে এ বিষয়ে তিনি মন্তব্য করবেন না।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

eleven + 15 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য