Thursday, July 25, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরবোনকে ধর্ষণচেষ্টা, পুরুষাঙ্গ কেটে ছেলের মৃত্যু নিশ্চিত করেন বাবা-মা!

বোনকে ধর্ষণচেষ্টা, পুরুষাঙ্গ কেটে ছেলের মৃত্যু নিশ্চিত করেন বাবা-মা!

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিখোঁজের ১৮ দিন পর গতকাল শুক্রবার হাসান (১৮) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহ হলে তার বাবা-মা ও বোনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হাসানকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তারা। গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রইছ উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হাসানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে তার বাবা শামীম মিয়া (৪০), মা হাসিনা বেগম (৩৮) ও ছোট বোন শিলা (১৫)। তাদের বাড়ি উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের হোসেন্দী বাজার সংলগ্ন নয়াগাঁও এলাকায়।

এর আগে গতকাল তাদের বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে হাসানের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। হাসানের নিখোঁজ হওয়া, ডোবায় লাশ পাওয়া, স্থানীয় এক প্রভাবশালী ছেলের সঙ্গে বিরোধ ও মাদকাসক্তিসহ বিভিন্ন বিষয় মাথায় রেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তা রইছ উদ্দিন জানান, ঘটনার ১৮দিন পর  লাশ উদ্ধার করেন তারা। বাড়ির কাছেই লাশ পাওয়া ও পরিবারের সদস্যদের অসংলগ্ন কথাবার্তায় পুলিশের সন্দেহ হয়।

নিহত হাসানের মা হাসিনা বেগম পুলিশকে জানান, তিনি স্বপ্নে দেখেছেন প্রতিবেশী শাহ আলম তার ছেলেকে হত্যা করে লাশ ডোবায় ফেলে রেখেছে। মায়ের এমন বক্তব্যের পর পুলিশের সন্দেহ হলে বাবা-মা ও বোনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। রাতভর জিজ্ঞাসাবাদে হাসানের বাবা-মা এবং বোন তাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন।

জিজ্ঞাসাবাদে স্বজনদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, গত ২১ ডিসেম্বর রাতে তার আপন ছোট বোন শিলা (১৫) প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বাথরুমে যাওয়ার পথে তাকে জড়িয়ে ধরে মাদকাসক্ত হাসান। আপন বোনকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে চিৎকার শুনে বাবা-মা ছুটে আসেন। পরে হাসানকে মা হাসিনা বেগম ঘরে নিয়ে মুখে বালিশ চেপে ধরেন। বাবা শামীম মিয়া তার হাত-পা ধরে রাখেন এবং ছোট বোন শিলা ধারালো ছুরি দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন। তাদের দেওয়া তথ্যমতে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি এবং গামছা উদ্ধার করেছে।

মুন্সীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আশফাকুজ্জামান জানান, নিহতের স্বজনরা অন্যজনের ওপর দায় চাপাতে চেয়েছিল। তারা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে।

এদিকে ছোট বোনকে ধর্ষণচেষ্টা এবং বাবা-মা কর্তৃক নিজের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

eighteen + 7 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য