পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ গতকাল শুক্রবার বলেছেন, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) দেওয়া শর্তগুলো অকল্পনীয়। কিন্তু অর্থনৈতিক দুরবস্থার কারণে তাদের দেওয়া শর্ত মেনে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, ঋণের ব্যাপারে আলোচনা করতে গত মঙ্গলবার আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে এসেছে। শেহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘আমি বিস্তারিত আলাপে যাচ্ছি না। তবে একটি কথা বলব যে আমাদের অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ কল্পনাতীত। আইএমএফের শর্তগুলোও অকল্পনীয়। আমাদের সেসব শর্তই মেনে নিতে হবে।’
গতকাল পর্যন্ত আইএমএফের ঋণের ব্যাপারে কিছুই চূড়ান্ত হয়নি। জাতীয় রাজস্ব ব্যুরোর একটি সূত্র বলেছে, আইএমএফ সরকারি কর্মচারীদের দেশে ও বিদেশে থাকা সম্পদের বিবরণ প্রকাশ করতে বলেছে।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত বৃহস্পতিবার জানায়, তাদের কাছে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে মাত্র ৩১০ কোটি ডলার, যা দিয়ে মাত্র তিন সপ্তাহের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সে কারণে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ওষুধ ও খাদ্য ছাড়া অন্য কিছু আমদানিতে এলসি খুলতে দিচ্ছে না পাকিস্তান সরকার। করাচি বন্দরে আটকে আছে হাজার হাজার কনটেইনার।
গত বুধবার পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪৮ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। দেশটির মানুষ মৌলিক খাদ্যসামগ্রী কিনতেও হিমশিম খাচ্ছে। পাকিস্তান সরকারকে আইএমএফ শর্ত দিয়েছে, ঋণ পেতে হলে সব ক্ষেত্রে কর বাড়াতে হবে। এ ছাড়া জ্বালানিপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করে ভর্তুকি দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
সূত্র : এনডিটিভি, এআরওয়াই নিউজ
