Thursday, July 25, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরমানব পাচারে জড়িত দুই এয়ারলাইনস

মানব পাচারে জড়িত দুই এয়ারলাইনস

বাংলাদেশ থেকে মানব পাচারে বিদেশি দুটি এয়ারলাইনসের সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এয়ারলাইনস দুটির পাঁচ-সাত জন কর্মকর্তাকে সিআইডি সদর দপ্তরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন সিআইডির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মাহবুবুর রহমা

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে মানব পাচারের সঙ্গে বিদেশি দুটি এয়ারলাইনস জড়িত। যাদের দেশ থেকে পাচার করা হয়েছে, তাদের সবাইকে ভিজিট ভিসা বা কনফারেন্স ভিসায় নেওয়া হয়েছে। এসব ভিসায় কেউ কোনো দেশে গেলে তাদের রিটার্ন টিকিট থাকার কথা। কিন্তু কোনো ব্যক্তি রিটার্ন টিকিট নেননি। এটা এয়ারলাইনসের ত্রুটি। তাদের কর্মকর্তারা জড়িত। পাচার হওয়া অধিকাংশ ব্যক্তি এ দুটি এয়ারলাইনসে গেছেন। আমরা এয়ারলাইনস দুটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও কথা বলেছি। তারাও স্বীকার করেছেন, এমন হওয়ার কথা নয়। তবে তিনি এয়ারলাইনস দুটির নাম বলেননি।

সিআইডির প্রধান বলেন, গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশ পুলিশ ইন্টারপোলের কাছে ছয় মানব পাচারকারীকে গ্রেফতারে সহায়তা চায়। গত ২৭ নভেম্বর ইন্টারপোল রেড নোটিশ জারি করে। তারা হলেন—মিন্টু মিয়া, তানজিমুল ওরফে তানজিদ, জাফর ইকবাল, নজরুল ইসলাম মোল্লা, শাহাদাত হোসেন ও স্বপন। এদের মধ্যে নজরুলের বাড়ি মাদারীপুরে, শাহাদাতের বাড়ি ঢাকায়, বাকি চার জনের কিশোরগঞ্জে। তানজিমুল বর্তমানে ইতালিতে রয়েছেন। এখন পর্যন্ত ছয় জনকেই পাওয়া গেছে যাদের সংশ্লিষ্টতা আছে। আরো কেউ বিদেশে তাদের মতো আছেন কি না, তাও আমরা খতিয়ে দেখছি।

সিআইডি আরো জানায়, ২০১৯ সালের মে মাস থেকে বিভিন্ন সময়ে ৩৮ জন বাংলাদেশি নাগরিককে লিবিয়ায় পাচার করা হয়। তাদের ইতালি ও স্পেনে পাঠানোর কথা বলে লিবিয়ার বেনগাজিতে নিয়ে যাওয়া হয়। মুক্তিপণের জন্য গত ২৬ মে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ১২ জন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় মানব পাচারের অভিযোগে সারা দেশে ২৬টি মামলা হয়। এর মধ্যে সিআইডি বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে (পল্টনে দুটি ও বনানী থানায় একটি)। বাকিগুলো ভুক্তোভোগীদের পরিবার করে। ২৬ মামলার মধ্যে ২৫টি মামলা তদন্ত করছে সিআইডি। মামলায় এজাহারভুক্ত মোট আসামির সংখ্যা ২৯৯। এখন পর্যন্ত ১৭১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হবিগঞ্জে দায়ের করা একটি মামলার অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদের মধ্যে ৪২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

ইত্তেফাক/এসি

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

fifteen + eleven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য