Saturday, July 20, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরমার্কিনীদের সন্ত্রাসবাদ তালিকা থেকে অপনোদনের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের কোনো যোগসূত্রতা চায় না...

মার্কিনীদের সন্ত্রাসবাদ তালিকা থেকে অপনোদনের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের কোনো যোগসূত্রতা চায় না সুদান

একটি সূত্র বলছে, মার্কিন কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, তারা চায় সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের অনুসরণ করে, খার্তুমও ইস্রায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করুক।

শনিবার প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লা হামদোক বলেন, ইসরাইলের সাথে সম্পর্কের স্বাভাবিককরণের সাথে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “সন্ত্রাসবাদ তালিকা” থেকে অপসারণের বিষয়ে কোনো যোগসূত্র করতে চায় না সুদান। মার্কিনীদের “সন্ত্রাসবাদ তালিকায়” অন্তর্ভুক্তি, সুদানের অর্থনীতির জন্য বিদেশী অর্থায়ন প্রবেশের পথে বড় বাধা হয়ে আছে।

চলতি সপ্তাহে একটি সূত্র থেকে জানা যায়, মার্কিন কর্মকর্তারা সুদানের একটি প্রতিনিধি দলের সাথে আলোচনার সময় ইঙ্গিত দেন যে, তারা চায় সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের অনুসরণ করে, খার্তুমও ইস্রায়েলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করুক।

“সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র” হিসাবে সুদানের পদবীটি, এর ক্ষমতাচ্যুত শাসক ওমর আল-বশিরের সাথে সম্পর্কিত। এই পদবী সুদানের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিশাল ঋণ পরিশোধের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজনীয় ত্রাণ এবং বৈদেশিক অর্থায়নের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হামদোক বলেন, সুদান গত মাসে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওকে বলেছিল যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “সন্ত্রাসবাদ তালিকা” থেকে অপসারণের বিষয়টি, ইস্রায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণ চুক্তি থেকে আলাদা করা দরকার ছিল।

‘এই বিষয়টি (ইস্রায়েলের সাথে সম্পর্ক) নিয়ে সকল সম্প্রদায়ের সাথে গভীর আলোচনা দরকার।’ – অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে খার্তুমে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

সুদানের ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতি এবং নিম্নগামী অর্থনীতি-ছিল হামদোকের অন্তর্বর্তী প্রশাসনের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আল-বশিরের অপসারণের পর থেকে হামদোকের প্রশাসন সামরিক বাহিনীর সাথে সুদানে শাসন করে আসছে।

১৯৯৩ সালে সুদানকে মার্কিনীদের “সন্ত্রাসবাদ তালিকায়” অন্তর্ভুক্ত করা হয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র ধারণা করছিল যে, আল-বশিরের সরকার সশস্ত্র দলগুলিকে সমর্থন করছে।

তবে সুদানের অনেকেই আল-বাশিরকে অপসারণের পরে এটি অনুপযুক্ত বলে মনে করছেন। এবং সুদান দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে সহযোগিতা করছে।

আলোচনার স্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস এবং পররাষ্ট্র বিভাগ কোনও মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

বুরহান এবং ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই বছরের শুরুর দিকে উগান্ডায় একটি অপ্রত্যাশিত বৈঠক করেছেন। যদিও সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের কার্যক্রম সংবেদনশীল হবে, কেননা সুদান আল-বশিরের অধীনে ইস্রায়েলের এক কট্টর শত্রু ছিল।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

two × two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য