Wednesday, June 19, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমকুরআন ও হাদীসমাসজিদের ভেতরে নিজের জন্য স্হান নির্ধারণ করা প্রসঙ্গে

মাসজিদের ভেতরে নিজের জন্য স্হান নির্ধারণ করা প্রসঙ্গে

••• মাসজিদের ভেতরে নিজের জন্য স্হান নির্ধারণ করা প্রসঙ্গে •••

*** মহানবী মুহাম্মদ সা: বলেছেন “

মাসজিদের ভেতরে সালাত আদায়ের জন্য উটের ন্যায় কোন স্হানকে সুনির্দিষ্ট করে রেখোনা ।”

আবুদাউদ ৮৬২
ইব্নে মাজা ১৪২৯

শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী রহ: ছহীহ বলেছেন ।

*** এ আমলটি খুবই দৃশ্যমান বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে । গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সর্বত্রই দেখা যায় যে, কিছু বৃদ্ধ মুসল্লী বা প্রতাপশালী ব্যক্তিগণ মসজিদের ভেতরে নিজেদের জন্য পূর্ব থেকে জায়নামাজ বিছিয়ে রেখে জায়গা দখল করে রাখেন । তিনি সবসময় ঐ জায়গাটিতে সালাত আদায় করেন । বিশেষ করে কর্ণারের জায়গাগুলো সবসময়ই ফিলআপ থাকে ! মাহে রমজানে শেষের ১০ দিনে ইহা মারাত্নক আঁকার ধারণ করে ! মহানবী সা:’র এই নিষেধাজ্ঞার বাণী না জানা থাকার দরুণ এসব লোকেরা এ আমলটিকে মজবুত সহকারে গ্রহণ করেছেন ! অধিকাংশ মসজিদের ইমামগণ কুরআন ও হাদিস সম্পর্কে অজ্ঞ বললে ভুল হবেনা । ফলে তাঁরা এ বিষয়টি নিয়ে কখনো চিন্তাও করেননি ! জুমা’র খোৎবার মাধ্যমে সবাইকে সচেতন করা আলেম সমাজের দায়িত্ব ও কর্তব্য । হয়ত কখনো কোন ইমাম / আলেম সাহেব রাজনৈতিক কারণে বা ধনী লোকদের ভয়ে বা চাকরী হারানোর আশংকায় সঠিক কথা বলা থেকেও বিরত থাকেন ! তা’ ছাড়া সুস্পস্ট দলীল সহকারে বয়ান করার মতো ক’জন ইমাম পাবেন ?

*** একজন মুয়াজ্জিন ইমামের পেছনেই থাকবেন । ইহা এ হাদিসের আওতায় পড়বেনা । কেননা মুয়াজ্জিন সাহেবের দায়িত্ব রয়েছে । তিনি ইক্বামত দেবেন এবং ইমামের সুবিধা/ অসুবিধায় সাহায্য করবেন । তিনি ইমাম সাহেবের পেছনের জায়গাটিতে না থাকলে, তা’ অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়াবে ।

*** শাসক/ নেতা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য বডি গার্ড সহ পুরো অংশ জুড়ে জায়গা দখল করলেও তাও যৌক্তিক ।

*** মক্কা / মদীনায় ইমাম সাহেবের পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু মুসল্লী থাকেন । তাঁদের অধিকাংশই মুয়াজ্জিন ও ইমাম মনে হয় ।

*** বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে বড় পীর সাহেব / বড় হুজুরের জন্যেও সুনির্দিষ্ট জায়গা ধরে রাখতে দেখা যায় ! ইহাও গুনাহ । এ হাদিসের আওতায় পড়বে ।

*** বাংলাদেশের মসজিদগুলোতে বড় হুজুরের পাশে সালাত আদায়ের সময়ে মুসল্লী নিজেকে অনেক বেশী না চীজ্ , দূর্বল মনে করে দাঁড়ান ! এমনভাবে দাঁড়ান যে, যেনো হুজুরের সংগে টাচ না হয় ! অন্যথায় বেয়াদবী হয়ে যাবে !!! মুসল্লীর মনযোগ সালাত অপেক্ষা হুজুরের দিকে অনেক বেশী !!! সালাম শেষ হওয়ার সংগে সংগেই মুসল্লী বিদ্যুৎ বেগে পেছনে চলে যান হুজুররে আরামের জন্য ! মনে হলো যেনো তিনি পুরো সালাত জুড়ে এ কাজটিই করার জন্য অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় ছিলেন !!! বড় হুজুরও ভেজায় খুশি !!!! মনে মনে গর্ববোধ করছেন !!! আর আপনি যদি এ আমলটি না করেন, তা’হলে আপনি একজন বেয়াদব !!!!
لا حول و لا قوة إلاّ بالله
এ জাতীয় মুসল্লীর সালাত আদায় হয়েছে কিনা আমি জানিনা ! তাঁকে পুণরায় সালাত আদায় করতে হবে । সালাতের রুকন خشوع و خضوع না থাকার কারণে তাঁর সালাত বাতিল হতে পারে ! অন্যদিকে এই মানসিকতার বড় হুজুরের সালাত পরকালে হুজুরকে জান্নাত নাকি জাহান্নামে নিয়ে যাবে, আল্লাহই ভালো জানেন ।

MQM Saifullah Mehruzzaman

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

nine − 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য