Sunday, June 23, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমবিবিধরাতের শ্রেষ্ঠত্ব!!!

রাতের শ্রেষ্ঠত্ব!!!

বিভিন্ন অবস্থা বিবেচনায় রাতকেই উত্তম মনে হয়, কারণ:


১- রাতকেই আল্লাহ তা‘আলা ইসরা ও মি‘রাজের জন্য পছন্দ করেছেন।
২- রাতেই আল্লাহর বিশেষ বান্দারা একান্ত হওয়ার সুযোগ পায়। তারা তাহাজ্জুদের সালাতে আল্লাহর সাথে একান্ত হয়। যেমন বিশেষ বিশেষ লোকেরা পরস্পর সাক্ষাত করে।
৩- রাতেই আল্লাহ তা‘আলার জন্য ইবাদতের জন্য মানুষের মন সুস্থির হয়, যেমনটি সূরা মুযযাম্মিলে [৬] বর্ণিত হয়েছে।
৪- আল্লাহ তা‘আলা রাতের বেলাতেই প্রথম আসমানে নেমে আসেন। দো‘আ কবুল করেন। [বুখারী ও মুসলিম]
৫- আল্লাহ তা‘আলা একদল নবীকে রাতের বেলাতে সম্মানিত করেছেন, যেমন:
ক. ইবরাহীম ‘আলাইহিস সালাম রাতে তারকা, চাঁদ এগুলোর মাধ্যমে তার কাওমের ভ্রান্তি অপনোদন করেন। [সূরা আল-আন‘আম: ৭৬]
খ. লুত আলাইহিস সালামকে রাতের শেষ প্রহরে বের হওয়ার নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ বাঁচিয়ে দিলেন। [সূরা হূদ: ৮১, হিজর: ৭৬]
গ. ইয়া‘কূব আলাইহিস সালাম রাতে দো‘আ করার জন্য দেরী করলেন, [সূরা ইউসুফ: ৯৮]
ঘ. মূসা আলাইহিস সালামকে রাতে নৈকট্য দান করেন, তিনি আলো দেখতে পান, সেখানে তার নবুওয়তের সূচনা হয়েছিল। [সূরা আন-নামল: ৭] তাকে ত্রিশ রাত্রির ওয়াদা দেয়া হয় [সূরা আল-আ‘রাফ: ১৪২] রাতেই ফিরআউনের কবল থেকে বের হওয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। [সূরা দুখান: ২৩]
ঙ. আমাদের নবীকেও আল্লাহ তা‘আলা বেশ কিছু জিনিস দিয়ে রাতের বেলা সম্মানিত করেছেন, যেমন, চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা, জিন্নদের ঈমান আনা, অনুরূপ রাতের বেলা সাওর গিরি গুহার দিকে বের হয়ে পড়া।
৬. এ উম্মতের জন্য আল্লাহ তা‘আলা তাদের রাতে না ঘুমিয়ে ইবাদতকে পছন্দ করেছেন। [আয-যারিয়াত: ১৭; আস-সাজদাহ: ১৬]
৭. আল্লাহ তা‘আলা রাতকে দিনের আগে উল্লেখ করেছেন বেশিরভাগ আয়াতে। [সূরা বনী ইসরাঈল ১২, ইয়াসীন, ৪০]
৮. রাতে মীনাতে অবস্থান দিনে অবস্থানের জন্য যথেষ্ট হয়ে যায়।
৯. আসল হলো রাত, সেজন্য সেটা দিয়ে মাসের শুরু নির্ধারিত হয়। তার কালো চোখের আলোর পূর্ণ ব্যবহার করার সুযোগ দেয়, চোখে প্রশান্তি প্রদান করে, প্রিয়জনের সাথে গল্প ও কাহিনী বলার জন্য উত্তম সময় বলে বিবেচিত হয়।
১০. রাতের চাঁদের আলোকে ঘিরে মানুষের আনন্দের শেষ নেই, মানুষ অনেকেই সেটাকে স্মরণীয় রাত হিসেবে গন্য করে।
১১. প্রতিটি দিনেরই রাত আছে, অন্য দিকে একটি দিনের কোনো রাত নেই, আর তা হচ্ছে কিয়ামতের দিনের; যার পরিমাণ হবে পঞ্চাশ হাজার বছরের।
১২. রাতের উৎকৃষ্টতার আরও প্রমাণ হচ্ছে লাইলাতুল কদর। যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। [সূরা আল-কাদর]
১৩. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে সফর করতেন ও সফর করতে উৎসাহ দিতেন। আর বলতেন, রাতে যমীন সংকুচিত করা হয়। [সুনান আবু দাঊদ]
বস্তুত রাত ও দিন উভয়টিই আমাদের জন্য আল্লাহ তা‘আলার নিদর্শন।

আমার কাছে যা ধরা পড়েছে তাতে রাতকে শ্রেষ্ঠ মনে হলো। ভিন্নমত কোনোভাবেই অগ্রাহ্য নয়।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

four + 20 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য