Sunday, March 3, 2024

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরসীমান্ত হত্যার দায় কার?

সীমান্ত হত্যার দায় কার?

বিএসএফ দৃষ্টিভঙ্গি না বদলালে দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হবে : মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইব্রাহিম :: তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ করা উচিত ছিল, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বিষয়টি তোলা উচিত : নূর খান লিটন :: সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশিরা সবাই অপরাধী : বিএসএফ ডিজির দাবি :: আলোচনা হয়েছে সীমান্তে হত্যা কীভাবে বন্ধ করা যায় : বিজিবি ডিজি

বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত হিসেবে ধরা হয় যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্ত, উত্তর কোরিয়া-দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্ত ও আফগানিস্তান-পাকিস্তানের প্রায় দেড় হাজার মাইল দীর্ঘ ‘ডুরান্ড লাইন’ সীমান্ত। কয়েক বছর ধরে লাদাখে চীন-ভারত সীমান্ত বিপজ্জনক ধরা হয়ে থাকে। এই সমস্ত সীমান্তে প্রতিনিয়ত থাকে উত্তেজনা, সীমান্তে প্রহরীদের থাকতে হয় সদা সতর্ক। শত্রæপক্ষকে নজরে রাখতে এদের কারও চোখে পলক পর্যন্ত পড়ে না। সীমান্তে থাকে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত সদা সতর্ক বাহিনী। ভয়ঙ্কর এবং বিপজ্জনক এই সব সীমান্তে নিরস্ত্র মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এমন খবর বছরেও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে পাওয়া যায় না। কিন্তু দুই বন্ধুদেশ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রায়ই বাংলাদেশের মানুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিরস্ত্র মানুষগুলোকে গুলি করে হত্যার খবর দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে হত্যা করার পর দাবি করা হচ্ছে সীমান্তে হত্যার শিকার ব্যক্তিরা অপরাধী। ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফের হাতে প্রাণ হারানো নিরস্ত্র নিরীহ বাংলাদেশিদের কী আইনি সহায়তার অধিকার নেই? এই সীমান্ত ইস্যুতে প্রতিবছর দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বিজিবি-বিএসএফ-এর ডিজি পর্যায়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি বৈঠকে সীমান্ত হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রæতি দেয় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী। কিন্তু সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না।

গতকাল ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফের ডিজি পর্যায়ের ৫২তম সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিএসএফ ডিজি পঙ্কজ কুমার সিং আরো বলেন, সীমান্তে গুলিতে নিহত বাংলাদেশিরা সবাই অপরাধী। তার এই বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। নেটিজেনরা নিজেদের মতো করে বিএসএফের জিজির বক্তব্যের প্রতিবাদ করছেন। কেউ কেউ সেখানে এ বক্তব্যের প্রতিবাদ করা হলো না কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। কেউ কেউ এ জন্য সরকারের নতজানু পররাষ্ট্রনীতিকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুধু নেটিজেনরাই নয়, দেশের মানবাধিকারকর্মীরা এমন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা বলছেন, এটা ঐদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য। বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্ব এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে দাবি করা হলেও দুই দেশের সীমান্ত পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক সীমান্ত হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তের চেয়েও ভয়ঙ্কর। বিজেবি প্রায়ই বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষকে গরু পাচারের অভিযোগে হত্যা করছে। অথচ ভারতের যারা গরু পাচারের সঙ্গে জড়িত তাদের হত্যা বা গ্রেফতার করছে না। তাছাড়া দু’বছর আগে ভারতের একটি বিশেষ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গরু চোলাচালানের সঙ্গে সীমান্ত রক্ষীরাও জড়িত।

জানতে চাইলে মানবাধিকার কর্মী নূর খান লিটন গতকাল ইনকিলাবকে বলেন, ঢালাওভাবে সবাইকে অপরাধী বলার কোনো সুযোগ নেই। আইনে অপরাধীদের চিহ্নিত করে অপরাধী বলার সিস্টেম রয়েছে। হত্যা একটা বড় অপরাধ, এর পর আরো একটা অপরাধ হচ্ছে, কোনো ব্যক্তিকে আদালত অপরাধী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার আগেই তাকে অপরাধী বলা। আমাদের দেশে এসে বিএসএফয়ের প্রধান বিজিবি’র প্রধানের সামনে যেভাবে সীমান্তে বিএসএফয়ের হাতে নিহত সকল বাংলাদেশিদের অপরাধী বলেছেন, সেটা একটা বড় বিষয়। বৈঠক থেকেও তাৎক্ষনিক এ বিষয়ে কোনো প্রতিবাদ বা প্রতিক্রিয়া কেন জানানো হয়নি, এটি ভাবতে পারছি না। সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার না করার প্রতিশ্রæতি দিয়েও বিএসএফ সেসব অস্ত্রের ব্যবহার করেছে। করোনা মহামারিতেও তারা বেসমারিক মানুষকে হত্যা করেছে। সীমান্তে মারা যাওয়া কোনো ব্যক্তির কাছে কখনো কোনো বিস্ফোরক বা আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যায়নি। এতেই বিষয়টি স্পষ্ট যে ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী আমাদের নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করছে। দু’দেশের আলোচনার মধ্য দিয়ে এ সঙ্কট আর সমাধান হবে না। বাংলাদেশকে বিষয়টির জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে উপস্থাপন করতে হবে এবং এর আন্তর্জাতিক সমাধানের পথে হাঁটতে হবে।

মেয়ে ফেলানীকে নিয়ে ভারত থেকে ফিরছিলেন বাবা নুরুল ইসলাম। দেশে এনে মেয়েকে বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন লাশ হয়ে যায় সীমান্তের কাঁটাতারে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ফুলবাড়ি উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের ওপর বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রতিনিয়তই সাধারণ মানুষকে গুলি করে হত্যা করছে বিএসএফ। অথচ গতকাল পিলখানা সদর দফতরে বিজিবি-বিএসএফ-এর ডিজি পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিএসএফ মহাপরিচালক (ডিজি) পঙ্কজ কুমার সিং বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফ গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের সবাইকে অপরাধী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিএসএফয়ের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা বন্ধ করতে হবে। ঢালাওভাবে সবাইকে অপরাধী বলার কোনো সুযোগ নেই। হত্যা একটা বড় অপরাধ, এর পর আরো একটা অপরাধ হচ্ছে কোনো ব্যক্তিকে আদালত অপরাধী হিসেবে ঘোষণা দেয়ার আগেই তাকে অপরাধী বলা।
২০২১ সালে ভারতের মানবাধিকার সংস্থা মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চের (মাসুম) প্রধান কীরিটি রায় সীমান্তে হত্যার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, চোরাচালানে যখন ঘুষের টাকা বিএসএফ পায় না, তখনই হত্যা করে। কেন্দ্রীয় সরকার যতই মুখে বলুক, তারা আসলে কোনো ব্যবস্থা নেয় না।

কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম গতকাল দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, ‘বিএসএফয়ের গুলিতে নিহত বাংলাদেশিদের সবাইকে অপরাধী’ বিএসএফ প্রধানের এ ধরনের বক্তব্য কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ধরনের বক্তব্য দু’দেশের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার অনুক‚লে নয়। অপরাধী সকল দেশেরই রয়েছে। ভারতের কোনো নাগরিককে বাংলাদেশ সীমান্তে হত্যা করা হয়েছে এমন নজির নেই। অথচ নিরঅপরাধ বাংলাদেশিদের ভারতের মাটিতে হত্যার নজির ভুড়ি ভুড়ি। বিএসএফয়ের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যা বন্ধ করতে হবে।

গতকাল পিলখানা সদর দফতরে বিজিবি-বিএসএফ-এর ডিজি পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিএসএফ ডিজি পঙ্কজ কুমার সিং আরো বলেন, সীমান্তের দুই পাশে ভালো-মন্দ দুই ধরনের লোকই আছেন। সীমান্তে মন্দ লোকেরাই নিহত হয়েছেন, যারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে রয়েছে চোরাকারবারি, মাদককারবারি ও পাচারকারি।

সীমান্তে হত্যার শিকারদের কীসের ভিত্তিতে অপরাধী বলছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, জুডিশিয়ালি সিস্টেম কিংবা কোনো অপরাধ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কাউকে অপরাধী বলতে পারি না। তবে আমরা প্রচলিত পদ্ধতিতে শুধু অপরাধী বলতে পারি না। আমরা ডিএমপি পুলিশ, কলকাতা পুলিশ ও সীমান্তে গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কথা বলে অপরাধীদের তথ্য বিনিময় করে তাদের (সীমান্তে গুলিতে নিহত) অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করি। সীমান্তে যাবতীয় অপরাধ দুই দেশের মাফিয়ারা নিয়ন্ত্রণ করে।

বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, শিশু ও নারী পাচারের সঙ্গে জড়িতরাই সীমান্ত অতিক্রম করে। এখন পর্যন্ত সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাকারবারি ঠেকাতে ৮৯ বিএসএফ সদস্য মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা মারণাস্ত্র নয়, এমন অস্ত্র ব্যবহার শুরু করেছি। বিজিবির সঙ্গে আমাদের আগের তুলনায় সম্পর্ক ভালো। সীমান্ত সুরক্ষায় আমরা একসঙ্গে কাজ করব।

প্রতিবার সীমান্ত সম্মেলনে সীমান্ত হত্যা বন্ধে আলোচনা হয়; কিন্তু সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। গত জুন মাসেও সীমান্তে হত্যা হয়েছে পাঁচজন। তবুও সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামছে না। এমন এক প্রশ্নের জবাবে বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ভিন্ন। পশ্চিমা দেশগুলোর চাইতে আলাদা। আমরা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করে থাকি, কীভাবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করা যায়।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) হিসেবে, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে বিএসএফয়ের গুলিতে ২০২১ সালে ১৪ জন নিহত হয়েছে। ২০২০ সালে মোট ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। গুলিতে ৪২ জন এবং নির্যাতন চালিয়ে ছয়জনকে হত্যা করেছে বিএসএফ। অপহরণ করা হয়েছে ২২ জনকে। আহত হয়েছেন ২৬ জন। ২০১৯ সালে বিএসএফ-এর হাতে নিহত হয়েছেন ৪৩ জন। এরমধ্যে গুলিতে ৩৭ জন এবং নির্যাতনে ছয়জন। অপহরণ করা হয়েছে ৩৪ জনকে। আহত হয়েছেন ৪৮ জন। ২০১৮ সালে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো ছিল। তারপরও ওই বছর বিএসএফ সীমান্তে মোট ১৪ বাংলাদেশিকে হত্যা করে। এরমধ্যে গুলি করে আটজনকে হত্যা করা হয়। অপহরণ করা হয় ১৩ জনকে এবং আহত হন ১৫ জন।

একজন বিশেষজ্ঞ বলেন, ভারতের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বারবার সীমান্ত হত্যা বন্ধের প্রতিশ্রæতি দেয়া হলেও তা বন্ধ হচ্ছে না। তারা সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার কথা বলার পরই আবার সীমান্ত হত্যা শুরু হয়। পাকিস্তানের সাথেও ভারতের সীমান্ত আছে। সীমান্ত সমস্যা আছে। কিন্তু সেখানে কিন্তু ভারত এভাবে গুলি চালায় না। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে শুধু গরু চোরাচালান হয় না, ভারত থেকে ফেনসিডিল, মাদক এবং অবৈধ অস্ত্রও আসে। সেটা বিএসএফ দেখে না। আর গরু তো শুধু পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসে না। ভারতের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আসে। সেখানে কেন আটকানো হয় না?

এদিকে সীমান্তে হত্যা কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে বিএসএফ-এর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। বিজিবিও কি সীমান্তে নিহত সবাইকে অপরাধী মনে করে? এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি, কীভাবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে পারি। কমানো নয়, শূন্যের কোঠায় কীভাবে নামিয়ে আনতে পারি।’ তিনি আরো বলেন, সীমান্তে একটা হত্যা মানে শুধু একটা মানুষের মৃত্যু নয়, এতে নিহতের পুরো পরিবার ভোগে। এলাকার মানুষের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যে পেশাদার সম্পর্ক, সেটাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়। এসব আমরা বিএসএফকে বুঝিয়েছি। তারাও বুঝেছে, আমরা সব সমস্যা একীভ‚ত করে কীভাবে কমানো নয়, শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে পারি। আমাদের যে স্পিরিট, সেটা কাজে লাগিয়ে আমরা আশাবাদী এটা সম্ভব।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

seven + 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য