Sunday, March 3, 2024

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবরহালদারের ৬২ সহযোগীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা জব্দ

হালদারের ৬২ সহযোগীর কাছ থেকে ১ হাজার ৫৭ কোটি টাকা জব্দ

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক লিমিটেড ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদারের (পিকে হালদার) ৬২ জন সহযোগীর সন্ধান পাওয়া গেছে। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫৭ কোটি টাকারও বেশি জব্দ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান দুদক সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার।

তিনি জানান, পি কে হালদারের বিষয়টি এখন অনেক বড়। বিভিন্ন জনের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে তার বিভিন্ন সূত্র আছে। আমরা এরই মধ্যে অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। মোটামুটি ৬২ ব্যক্তির সঙ্গে তার লিংক বা সূত্র পাওয়া যায়। 

এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা জব্দ বা ফ্রিজ করা হয়েছে। এসময় বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে দুদক দ্রুততম সময়ের মধ্যে চায় বলে জানান দুদক সচিব।

এর আগে, পি কে হালদারের ৭০ থেকে ৮০ জন গার্লফ্রেন্ডের সন্ধানের কথা জানায় দুদক। তার বান্ধবীর মধ্যে একজনকে বুধবার গ্রেপ্তার করেছে দুদক। 

ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ে আত্মসাৎ করা অর্থ পি কে হালদার তার প্রায় ৮০ জন বান্ধবীর ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করেছেন বলে তথ্য পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

 প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর বান্ধবীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা গেছে। 

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ‘পি কে হালদারের প্রতিষ্ঠানে অর্থ রেখে অনেকে হয়রানি ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। ভুক্তভোগীরা আমার চেম্বারে এসে দেখা করে কথা বলেছেন। পি কে হালদারের অনেক বান্ধবী থাকা ও তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা রাখার তথ্য মূলত ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নানা কৌশলে নামে-বেনামে অসংখ্য কোম্পানি খুলে শেয়ারবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার কেনেন এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে ও পরে নিজের আত্মীয়, বন্ধু ও সাবেক সহকর্মীসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে পর্ষদে বসিয়ে অন্তত চারটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেন।
 
দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, পি কে হালদার তার নিজের, আত্মীয়দের, বন্ধু ও কর্মচারীদের নাম ব্যবহার করে আটটি কোম্পানিতে ৬৭ কোটি ৩৫ লাখ ৪৪ হাজার ১৯৯ টাকা বিনিয়োগ করেছেন, যার ‘বৈধ কোনো উৎস’ অনুসন্ধানে মেলেনি।

আমারসংবাদ/এআই 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

18 − two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য