Thursday, April 23, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরএসসিও সম্মেলনে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদি সরকারের

এসসিও সম্মেলনে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ মোদি সরকারের

কূটনৈতিক বিধি মেনে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্তরের বৈঠকে পাকিস্তানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারতের নরেন্দ্র মোদি সরকার। আগামী ২৯ মার্চ নয়াদিল্লিতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা স্তরের বৈঠক হবে। ২৭ এপ্রিল হবে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনা। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহে দিল্লিতে এই জোড়া বৈঠকে যোগে দিতে পারেন চীন, রাশিয়াসহ অন্য সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিরা।

এসসিও-র বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ভারত এই দু’টি বৈঠকের আয়োজন করছে। তবে আমন্ত্রণ পেলেও কোনো পাকিস্তানি প্রতিনিধি এসসিওর জোড়া বৈঠকে যোগ দেবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। সম্প্রতি, নয়াদিল্লিতে এসসিও দেশগুলোর প্রধান বিচারপতিদের বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি উমর অটা বন্দিয়াল হাজির হননি। ভার্চুয়াল বৈঠকে ওই দেশের সুপ্রিম কোর্টের এক বিচারপতি অংশ নিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, এসসিওর ৮টি সদস্যরাষ্ট্রে পৃথিবীর মোট ৪০ শতাংশ জনসংখ্যার বাস। পৃথিবীর মোট ৩০ শতাংশ জিডিপি এই দেশগুলোর নিয়ন্ত্রণে। নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের তিনটি দেশ, কিরঘিজস্তান, কাজাখস্তান ও তাজিকিস্তানকে নিয়ে চিন একটি নতুন জোট গড়েছিল। ওই দেশগুলোর সাথে চীনের প্রায় ৩,৫০০ কিলোমিটারের সীমান্ত রয়েছে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে প্রাথমিকভাবে চীনের লক্ষ্য ছিল মধ্য এশিয়ার ওই নতুন দেশগুলোতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও ইসলামি কট্টরপন্থার প্রসার প্রতিরোধ। পরে নিজের শিনজিয়াং প্রদেশের আন্দোলন দমনে মুসলিম প্রধান তিন দেশের আপত্তি এড়ানো এবং ওই অঞ্চলে মজুত প্রাকৃতিক সম্পদও বেইজিংয়ের ‘লক্ষ্য’ হয়ে দাঁড়ায়।

এই প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে শান্তি ও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ও ব্যবসাবাণিজ্য বাড়াতে চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান ও তাজিকিস্তান যৌথভাবে ‘সাংহাই ফাইভ’ গড়ে তোলে। ২০০১-এ উজবেকিস্তান এই জোটে যোগ দেয় এবং সংস্থাটির নাম বদলে হয় সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)। ২০১৫-য় মূলত মস্কোর উদ্যোগে ভারত এই প্রভাবশালী আঞ্চলিক রাষ্ট্রগোষ্ঠীর সদস্য হতে পারলেও, নয়াদিল্লিকে চাপে রাখতে চীন একইসাথে পাকিস্তানকে ওই সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

twenty − 13 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য