Thursday, April 23, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই!!

عَن عَائِشَة قَالَتْ: أَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ نَسْتَرْقِيَ مِنَ الْعَيْنِ

’আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (কারো ওপর) বদনযর লাগলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঝাড়ফুঁক করতে নির্দেশ দিয়েছেন। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

[1] সহীহ : বুখারী ৫৭৩৮, মুসলিম (২১৯৫)-৫৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৬১০৩, ‘নাসায়ী’র কুবরা ৭৫৩৬, ইবনু মাজাহ ৩৫১২ সহীহাহ্ ২৫২১, আল জামি‘উস্ সগীর ৯০১৫, সহীহুল জামি‘ ৪৮৮৪, আহমাদ ২৪৩৪৫, হিলইয়াতুল আওলিয়া ৭/২৬৫ পৃঃ, মুসতাদরাক হাকিম ৮২৬৭, বায়হাক্বী ২০০৬৯।

ব্যাখ্যাঃ বদনযর চাই মানুষের হোক অথবা জিনে্র, ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা করা মুস্তাহাব। সহীহুল বুখারী, সহীহ মুসলিম, আবূ দাঊদ, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহতে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল কুরআনের শেষ তিনটি সূরা পাঠের মাধ্যমে ফুঁ দিয়ে নিজেই ঝাড়ফুঁক করতেন। এ তিনটি সূরার সাথে সূরাহ্ আল কাফিরূনও যোগ করা যায়। মা‘মার বলেন, আমি ইমাম যুহরীকে বললামঃ কিভাবে ফুঁক দিতে হয়? উত্তরে তিনি বললেনঃ দুই হাতে ফুঁ দিয়ে তা চেহারা ও শরীরে মুছতে হবে। কতিপয় ‘উলামায়ে কিরামের মতে, চোখের বদনযর প্রতিরোধে সূরাহ্ আল কলাম-এর ৫১ আয়াত হতে শেষ পর্যন্ত পাঠ করা যায়। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 − 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য