Wednesday, April 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরকয়লা নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাহাজ মাতারবাড়িতে

কয়লা নিয়ে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জাহাজ মাতারবাড়িতে

ইন্দোনেশিয়ার তারাহান বন্দর থেকে ৬৪ হাজার ৭৭০ টন কয়লা নিয়ে কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ির তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা জেটিতে ভিড়েছে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাহাজ।

বুধবার পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি জিসিএল পারাডিপ’ নামের জাহাজটি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা জেটিতে ভিড়েছে। জাহাজটি লম্বায় ২২৯ দশমিক ৯৯ মিটার ও সাড়ে ১২ মিটার ড্রাপ্টের।

মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর পর থেকে কয়লা নিয়ে আসা এটি পঞ্চম জাহাজ। বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য প্রথম ৬৩ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ২৫ এপ্রিল জেটিতে ভিড়ে এমভি অউসো মারো।

এছাড়া ১৯ মে ৬৫ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ২২৯ মিটার লম্বা ও ১২ দশমিক ৫ মিটার ড্রাফটের একটি জাহাজ বন্দরে নোঙর করে। ওই মাসে আরো তিনটি জাহাজ কয়লা নিয়ে ভিড়ে তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা জেটিতে।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ক্যাপ্টেন আতাউল হাকিম সিদ্দিকী বলেন, বুধবার কয়লাবাহী জাহাজটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কয়লা জেটিতে ভিড়েছে। এটা কয়লা নিয়ে ভেড়া চতুর্থ বড় জাহাজ। তবে এর চেয়ে বড় কোনো জাহাজ এখনো ভিড়েনি। শুরুতে ২৫ এপ্রিল বড় একটি জাহাজ আসে। এরপর মে মাসে আরো চারটি জাহাজ কয়লা নিয়ে মতারবাড়ি আসে।’

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়িতে তৈরি হয়েছে দেশের সবচেয়ে গভীর কৃত্রিম নৌপথ। একের পর বড় জাহাজ ভেড়ানোর মাধ্যমে এই নৌপথের সুবিধা পেতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।

নতুন উৎপাদনে যাওয়া মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি জেটির একটিতে কয়লা খালাস করা হয়। ৩০০ মিটার লম্বা এ জেটিতেই বড় জাহাজগুলো ভিড়ছে। তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের অন্য জেটিটি ১১০ মিটারের, তেল খালাসের জন্য এই জেটি নির্মাণ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

fourteen − eleven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য