Wednesday, April 29, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরপেঁয়াজ-আলুর দাম বাড়ছেই, হরতালের প্রভাব সবজিতে

পেঁয়াজ-আলুর দাম বাড়ছেই, হরতালের প্রভাব সবজিতে

পেঁয়াজ রপ্তানির সর্বনিম্ন মূল্যসীমা বেঁধে দিয়েছে ভারত। এতে বাংলাদেশের বাজারে আমদানীকৃত পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। এদিকে দেশি নতুন পেঁয়াজ ও আলু বাজারে আসবে ডিসেম্বরের শেষ দিকে। এ কারণে সরবরাহ কম।

এসব কারণে দেড় মাস আগে সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁরা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করছেন দেশি পেঁয়াজ ও আলু। এদিকে হরতালের প্রভাবে শাক-সবজির সরবরাহ কম; তাই গতকাল রবিবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে।
দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেড় মাস আগে দেশি পেঁয়াজ, আলু ও ডিমের দাম বেঁধে দিয়েছিল সরকার।

সরকার নির্ধারিত দেশি পেঁয়াজের দর ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা। কিন্তু রাজধানীর খুচরা বাজারে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২৫ টাকায়। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। যদিও সরকার নির্ধারিত আলুর দাম ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।

ডিমের হালির বেঁধে দেওয়া দর ছিল ৪৮ টাকা, এখন খুচরায় বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা।
গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজার, শ্যামবাজার, রামপুরা, বাড্ডা ও জোয়ারসাহারা বাজার ঘুরে দেখা যায়, দেশি পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে প্রতি কেজি ১১৫ থেকে ১২৫ টাকায়। আমদানীকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা আলু বিক্রি করছেন কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। ফার্মের ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায়।

দেশি রসুন কেজি ২১০ থেকে ২২০ টাকা এবং আমদানীকৃত রসুন ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা চাল বস্তায় ১০০ টাকা বেড়ে কেজি ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া গতকাল হরতালের কারণে বাজারে সবজির সরবরাহ কমায় নতুন করে কিছু সবজির দামও বেড়েছে। তবে মাছ, মুরগি, ডালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তন লক্ষ করা যায়নি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগির কেজি মানভেদে ২৯০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর শ্যামবাজারের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও আমদানিকারক আব্দুল মাজেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যাওয়ায় এবং ভারতে নতুন করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে দাম বাড়ছে। কিছুদিন আগেও আমরা ভারত থেকে প্রতি মেট্রিক টন পেঁয়াজ কিনেছি ৫০০ থেকে ৫৫০ ডলারে। ভারতে দাম বাড়ার কারণে এখন আমাদের পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে ৮০০ ডলারে। ভারতে দাম কম থাকলে দেশের বাজারেও কম থাকত।’

সবজির বাজার

হরতালের কারণে অন্যান্য দিনের তুলনায় রাজধানীর বাজারে সবজির সরবরাহ কম দেখা গেছে। বিক্রিও করতে দেখা গেছে বাড়তি দামে। ভালো মানের কালো গোল বেগুন কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ থেকে ১০০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, পটোল-চিচিঙ্গা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, লাউ প্রতিটি আকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টকা, টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, শিম ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, শসা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুমুখি ৯০ থেকে ১০০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, ঝিঙা ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

রাজধানীর জোয়ারসাহারা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী মো. আলম বলেন, ‘হরতালের কারণে কারওয়ান বাজারে সবজির সরবরাহ কম ছিল। সড়কে গাড়ি চলাচল না করায় বাড়তি ভাড়া দিয়ে কারওয়ান বাজার থেকে এসব সবজি আনতে হয়েছে। বিক্রিও হচ্ছে বাড়তি দামে।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − seven =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য