প্রথম মার্কিন সিনেটর হিসেবে গাজা উপত্যকায় নিঃশর্ত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে ডেমোক্র্যাট পার্টির জেফ মার্কলে।
মার্কলে এক এক্স-বার্তায় (সাবেক টুইটার) বলেন, ‘আমি যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাচ্ছি। উভয় পক্ষের বৈরিতার বিরতির আহবান জানাচ্ছি। স্থায়িত্বের জন্য যুদ্ধবিরতি এবং এর পর অন্যান্য অত্যাবশ্যক লক্ষ্য পূরণের জন্য অবশ্যই আলোচনা হতে হবে। আলোচনার মধ্যে সকল পণবন্দীর মুক্তি এবং ব্যাপক মানবিক সহায়তার প্রবাহ থাকতে হবে।’
এর আগে ইলিনয়সের ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর ডিক ডারবিনও যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবে তা ছিল শর্তসাপেক্ষে। তিনি আগে সকল পণবন্দীকে মুক্তি মুক্তি দিতে হবে। এমনকি ইসরাইলও এই শর্তে রাজি ছিল।
মার্কিন হাউজের প্রায় ৪০ জন অতি বাম সদস্যও সাম্প্রতিক সপ্তাহে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন।
ইসরাইলি সৈন্য নিহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় নেতানিয়াহু সরকারের ওপর ক্ষোভ
চলমান ইসরাইল-ফিলিস্তিন যুদ্ধে ইসরাইলি সৈন্য নিহতের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ক্ষমতাসীন নেতানিয়াহু সরকারের ওপর জনরোষ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (২০ নভেম্বর) মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নিউজ ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি লেখকরা গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের সাথে চলমান যুদ্ধে নিহত কর্মকর্তা ও সৈন্যদের ক্রমবর্ধমান সংখ্যার পরিপ্রেক্ষিতে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের প্রতি তাদের অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্বঘোষিত কর্মী ড্যান আদিন এক্স বার্তায় বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আজ ৪৩তম দিন। ধীরে ধীরে অনেক রক্ত দিতে হচ্ছে। কিন্তু একেবারে কেউই ভাবছে না যে এর রাজনৈতিক লক্ষ্য কী? কে গাজা শাসন করবে?
তিনি সতর্ক করে বলেন, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি যুদ্ধ বিপর্যয় প্রস্থান কৌশল ছাড়াই কাদায় ডুবে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হবে।
লেখিকা তামার মেইতাল লিখেছেন, ‘হামাস আন্দোলনকে নির্মূল করা এমন একটি লক্ষ্য যা অর্জনযোগ্য বলে মনে হয় না।’
লেখক ওরেন সাইমন সেনাবাহিনী মৃত্যুর বৃদ্ধিকে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দৃষ্টিভঙ্গি ও কর্মক্ষমতার সাথে যুক্ত করে বলেছেন, ‘নেতানিয়াহু যা খুঁজছেন, তা হলো তিনি আবারো একই জায়গায় থাকবেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী হবেন।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী শনিবার সন্ধ্যা থেকে উত্তর গাজা উপত্যকায় যুদ্ধে নিহত আরো তিনজন সৈন্যের নাম প্রকাশ করেছে। তাদের নিয়ে নিহত সৈন্য ও অফিসারের মোট সংখ্যা ৩৮০ জনে পৌঁছেছে।
সূত্র : টাইমস অব ইসরাইল ও মিডল ইস্ট মনিটর
