গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সের এক পোস্টে বলেছেন, সকাল থেকে উত্তর গাজার জাবালিয়া মেডিক্যাল সেন্টারে ৪৬টি লাশ এবং ১১০ জন আহত ব্যক্তিকে আনা হয়েছে।
বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক মুনির আল-বুরশ যোগ করেছেন, ইসরাইলি বাহিনীর বোমা হামলার ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো কয়েক ডজন লোক আটকে আছে।
জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি হামলায় গতকাল এক ডজনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছে। ৭ অক্টোবরের পর যে সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
এদিকে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুসারে, গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ১৯ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু এবং নারী। আহত হয়েছে ২৮ হাজার ২০০ জনেরও বেশি।
গত মাস থেকে অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরাইলের অবিরত বিমান ও স্থল হামলায় হাসপাতাল, মসজিদ এবং গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
ইসরাইলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে, ইতোমধ্যে ১ হাজার ২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করেছে বলে ঘোষণা করেছে। এর প্রতিরোধে পাল্টা হামলা শুরু করেছে ইসরাইল।
এক বিবৃতিতে হামাসের সামরিক শাখার প্রধান মোহাম্মদ দেইফ বলেন, শনিবার সকালে ইসরাইলে পাঁচ হাজার রকেট বর্ষণের মাধ্যমে ‘অপারেশন আল-আকসা স্ট্রম’ শুরু হয়েছে। ইসরাইল গাজা থেকে অনুপ্রবেশের কথা স্বীকার করেছে।
সূত্র : আল-জাজিরা
