Sunday, April 19, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরসরকার গঠনের ‘জনরায় নেই’ পিএমএল-এন ও পিপিপির, দাবি পিটিআইয়ের

সরকার গঠনের ‘জনরায় নেই’ পিএমএল-এন ও পিপিপির, দাবি পিটিআইয়ের

সরকার গঠন থেকে বিরত থাকতে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। দল দুটি জনরায় চুরি করেছে বলেও অভিযোগ করেছে পিটিআই। আর দুই পরিবারের শাসন চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে জামায়াত-ই-ইসলামি পাকিস্তান।

পাকিস্তানে ৮ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। কয়েক দিনের আলোচনার পর গত মঙ্গলবার মধ্যরাতে জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দেয় পিএমএল-এন ও পিপিপি। এতে সরকার গঠন নিয়ে যে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছিল, তার অবসান হয়।

জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পিটিআই-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি ৯৩ আসনে জয়ী হন। এ ছাড়া নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ৭৯ ও বিলাওয়ালের পিপিপি ৫৪ আসনে জয়ী হয়। সরকার গঠনে প্রয়োজন ১৩৪টি আসন।

পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান বর্তমানে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী। গতকাল বুধবার কারাগারের বাইরে পিটিআই নেতা আসাদ কায়সার বলেন, পিএমএল-এন ও পিপিপি জোটের জন্য তাঁর কাছে একটি বার্তা আছে। সেটা হলো ন্যূনতম বিবেচনাবোধ প্রদর্শন এবং সরকার গঠন থেকে বিরত থাকা।

আসাদ কায়সার বলেন, নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাননি পিএমএল-এন নেতা শাহবাজ শরিফ। জনগণ তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ম্যান্ডেট দেয়নি।

নতুন জোট সরকারের সমালোচনা করেছে জামায়াত-ই-ইসলামিও। দলটির প্রধান সিরাজুল হক বলেছেন, এই সরকার মধ্যরাতে গঠিত হয়েছে। এ দেশে বিষয়টি নতুন কিছু নয়। দুই পরিবারের শাসন প্রতিষ্ঠা হলো। গত তিন দশক দলে এটা চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

যেভাবে ক্ষমতা ভাগাভাগি

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্ষমতা ভাগাভাগির শর্তে জোট সরকার গঠনে রাজি হয়েছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, কোনো পর্যায়েই শাহবাজ শরিফের মন্ত্রিসভায় অংশ নেবে না পিপিপি। তবে দলটি সাংবিধানিক সর্বোচ্চ পদ তথা প্রেসিডেন্ট পেতে যাচ্ছে। পাঞ্জাব প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রিসভায়ও পিপিপি অংশ নেবে না। সমঝোতা অনুযায়ী পিপিপি প্রেসিডেন্ট, সিনেট চেয়ারম্যান, পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখাওয়ার গভর্নর, বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী এবং জাতীয় পরিষদের ডেপুটি স্পিকারের পদ পাবে। পিএমএল-এন প্রধানমন্ত্রী, পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী এবং জাতীয় পরিষদের স্পিকার পদ পাবে। এ ছাড়া সিন্ধু ও বেলুচিস্তানের গভর্নর পদে মনোনয়ন দেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য