Wednesday, April 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবররোজকার তাজা খবরগ্রেফতারি পরোয়ানা : নেতানিয়াহুর পক্ষ নিলেন বাইডেন

গ্রেফতারি পরোয়ানা : নেতানিয়াহুর পক্ষ নিলেন বাইডেন

ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টের (আইসিসি) প্রধান প্রসিকিউটর সোমবার বলেছেন, তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ওই দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট, এবং গাজায় হামাস নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ারসহ তিন হামাস কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চান।

নেতানিয়াহু এবং অন্য ইসরাইলি নেতারা ঘোষণাকে লজ্জাকর এবং ইহুদি-বিদ্বেষী বলে বর্ণনা করেছেন। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও প্রসিকিউটরের নিন্দা করেন এবং ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার সমর্থন করেন।

আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান এক বিবৃতিতে বলেন, তার দফতর বিশ্বাস করে, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট ‘ফৌজদারি দায় বহন করেন।’ সেই সাথে যুদ্ধের পদ্ধতি হিসেবে বেসামরিক নাগরিকদের অনাহারে রাখা ও বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা পরিচালনা করার দায়ও রয়েছে তাদের।

খান বলেন, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য সিনওয়ারের পাশাপাশি হামাসের সামরিক শাখার কমান্ডার মোহম্মদ দিউফ ইব্রাহিম আল-মাসরি ও হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরো প্রধান ইসমাইল হানিয়াও সমানভাবে দায়ী।

তিনজন বিচারকের একটি প্যানেল সিদ্ধান্ত নেবে যে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে কিনা, যার ফলে মামলা এগিয়ে যেতে পারবে। সাধারণত, বিচারকরা এরকম সিদ্ধান্ত নিতে মাস দুয়েক সময় নেন।

নেতানিয়াহু আর বাইডেনের প্রত্যাখ্যান

নেতানিয়াহু তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউটরের অভিযোগকে একটি ‘অপমান’ এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ও সমগ্র ইসরাইলের ওপর আক্রমণ বলে বর্ণনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, হামাসের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং দক্ষিণ ইসরাইলে বেসামরিক লোক অপহরণ আর গাজায় ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমকে এক কাতারে ফেলে আইসিসি প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্তর নিন্দা জানান।

সোমবার এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে আইসিসি প্রসিকিউটরের আবেদন ‘চরম আপত্তিকর।’

“আমি পরিষ্কার বলতে চাই : এই প্রসিকিউটর যাই ইঙ্গিত করুক না কেন, ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে কোনো সমানতা নেই, একদম নেই, প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন।

এই ‘সমানতার’ প্রতিবাদ করে হামাসও বিবৃতি দিয়েছে। হামাসের তিনজন নেতার গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে আইসিসি প্রসিকিউটরের ঘোষণাকে গাজার এই সশস্ত্র গ্রুপ নিন্দা করেছে।

হামাস করিম খানের বিরুদ্ধে ‘জল্লাদের সাথে তার শিকারের তুলনা’ করার অভিযোগ আনে। সোমবার এক বিবৃতিতে হামাস বলে, ইসরাইলি দখলদারিত্ব প্রতিরোধ করার অধিকার তাদের আছে, যার মধ্যে ‘সশস্ত্র প্রতিরোধের’ অধিকারও আছে।

ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইসাক হারজগ আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানের ঘোষণাকে ‘চূড়ান্তভাবে আপত্তিকর’ বলে বর্ণনা করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থা কতটা ধংসের মুখে, এই ঘোষণা সেটাই দেখাচ্ছে।’

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ হেরযগ লেখেন যে, ‘ইসরাইলের একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার, যারা আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম মেনে তার নাগরিকদের রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করছে, তার সাথে নৃশংস সন্ত্রাসীদের সমান্তরাল ভাবে দেখা একদম আপত্তিকর এবং এটা কারও কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে না।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাধুবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের সিনেটর লিন্ডসে গ্রেহাম আইসিসির সিদ্ধান্তর নিন্দা করেন। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন, ‘গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে প্রসিকিউটরের আবেদনটাই ঐতিহাসিক পর্যায়ের একটি অপরাধ যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মনে রাখবে।’ গ্রেহাম আরও বলেন, ৭ অক্টোবর হামাসের “ঘৃণাযোগ্য হত্যাযজ্ঞের পর ইসরাইল বিশ্বের আধুনিক ইতিহাসের ন্যায্য যুদ্ধগুলির একটিতে লড়াই করছে।’

তবে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর আন্তর্জাতিক বিচার শাখার অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর বালকিস জারাহ খানের ঘোষণাকে স্বাগত জানান।

নেতানিয়াহু আর বাইডেনের প্রত্যাখ্যান

নেতানিয়াহু তার বিরুদ্ধে প্রসিকিউটরের অভিযোগকে একটি ‘অপমান’ এবং ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ও সমগ্র ইসরাইলের ওপর আক্রমণ বলে বর্ণনা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, হামাসের সন্ত্রাসী আক্রমণ এবং দক্ষিণ ইসরাইলে বেসামরিক লোক অপহরণ আর গাজায় ইসরাইলি সামরিক কার্যক্রমকে এক কাতারে ফেলে আইসিসি প্রসিকিউটরের সিদ্ধান্তর নিন্দা জানান।

সোমবার এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, ইসরাইলি নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে আইসিসি প্রসিকিউটরের আবেদন ‘চরম আপত্তিকর।’

“আমি পরিষ্কার বলতে চাই : এই প্রসিকিউটর যাই ইঙ্গিত করুক না কেন, ইসরাইল এবং হামাসের মধ্যে কোনো সমানতা নেই, একদম নেই, প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন।

এই ‘সমানতার’ প্রতিবাদ করে হামাসও বিবৃতি দিয়েছে। হামাসের তিনজন নেতার গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে আইসিসি প্রসিকিউটরের ঘোষণাকে গাজার এই সশস্ত্র গ্রুপ নিন্দা করেছে।

হামাস করিম খানের বিরুদ্ধে ‘জল্লাদের সাথে তার শিকারের তুলনা’ করার অভিযোগ আনে। সোমবার এক বিবৃতিতে হামাস বলে, ইসরাইলি দখলদারিত্ব প্রতিরোধ করার অধিকার তাদের আছে, যার মধ্যে ‘সশস্ত্র প্রতিরোধের’ অধিকারও আছে।

ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইসাক হারজগ আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানের ঘোষণাকে ‘চূড়ান্তভাবে আপত্তিকর’ বলে বর্ণনা করে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বিচার ব্যবস্থা কতটা ধংসের মুখে, এই ঘোষণা সেটাই দেখাচ্ছে।’

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ হেরযগ লেখেন যে, ‘ইসরাইলের একটি গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার, যারা আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম মেনে তার নাগরিকদের রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করছে, তার সাথে নৃশংস সন্ত্রাসীদের সমান্তরাল ভাবে দেখা একদম আপত্তিকর এবং এটা কারও কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে না।’

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সাধুবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান দলের সিনেটর লিন্ডসে গ্রেহাম আইসিসির সিদ্ধান্তর নিন্দা করেন। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লেখেন, ‘গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়ে প্রসিকিউটরের আবেদনটাই ঐতিহাসিক পর্যায়ের একটি অপরাধ যা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মনে রাখবে।’ গ্রেহাম আরও বলেন, ৭ অক্টোবর হামাসের “ঘৃণাযোগ্য হত্যাযজ্ঞের পর ইসরাইল বিশ্বের আধুনিক ইতিহাসের ন্যায্য যুদ্ধগুলির একটিতে লড়াই করছে।’

তবে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর আন্তর্জাতিক বিচার শাখার অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর বালকিস জারাহ খানের ঘোষণাকে স্বাগত জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × one =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য