ইসরায়েলি কারাগারে গাজার ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর যৌন নির্যাতন একটি সংগঠিত রাষ্ট্রীয় নীতি; এমনটাই বলা হচ্ছে ইউরো-মেডিটেরানিয়ান হিউম্যান রাইটস মনিটরের নতুন প্রতিবেদন।
সদে তেইমান কারাগারে আটক ৪২ বছরের এক নারী বলেন, “ধাতব টেবিলে নগ্ন করে বেঁধে দুই দিন ধরে দুই মাস্কধারী সৈন্য আমাকে বারবার ধর্ষণ করেছে। রাতভর রক্তাক্ত অবস্থায় শিকলবদ্ধ রেখে দেয়। আমি মৃত্যু কামনা করেছি। এ যেন দেওয়ালের আড়ালে আরেক গণহত্যা।”
৩৫ বছরের আমির জানান, “নগ্ন করে কুকুর ছাড়ে। কুকুর আমার ওপর প্রস্রাব করে, তারপর প্রশিক্ষিতভাবে আমার পায়ুপথে প্রবেশ করে। মার খেতে খেতে আমি গভীর অপমান ও যন্ত্রণায় ভেঙে পড়ি।”
৪৩ বছরের ওয়াজদি বলেন, “ধাতব বিছানায় বেঁধে সৈন্য ও কুকুর দিয়ে বারবার ধর্ষণ করা হয়। এক সৈন্য আমার ভেতরে বীর্যপাত করে চলে যায়। আমি রক্তাক্ত হয়ে পড়ে থাকি। মৃত্যু চেয়েছি। পরে আরেকজন মুখে যৌনাঙ্গ ঢুকিয়ে প্রস্রাব করে। সবকিছু ভিডিও করা হয়।”
প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। রাজনৈতিক, সামরিক ও বিচারিক শীর্ষ নেতৃত্বের সমর্থনে চালানো এ নির্যাতনের উদ্দেশ্য বন্দিদের শরীর-মন ধ্বংস করা এবং ফিলিস্তিনি সমাজের মর্যাদা নষ্ট করা।
সূত্র – Middle East Eye
