Thursday, July 25, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদাওয়াওসীলা গ্রহন, প্রকার ও হুকুম

ওসীলা গ্রহন, প্রকার ও হুকুম

ওসীলা গ্রহন, প্রকার ও হুকুম।
______________________________

শাব্দিক অর্থ হচ্ছে নৈকট্য, মাধ্যম, কোন জিনিষের মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করা ইত্যাদি। পরিভাষায়, নেক কাজ তথা ইবাদাতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা।কেউ কেউ বলেন, ওসীলা হচ্ছে ঐ সকল বৈধ্য বা শরীআত সমর্থিত মাধ্যম, বা কারণ যদ্বারা নিজ লক্ষ্যে পৌঁছা যায়।

ওসীলা দু প্রকার।
যথা: (১) জায়েজ ওসীলা (২) নাজায়েজ ওসীলা।
________________________________________
জায়েজ ওসীলা তিন প্রকার,
_______________________________
.
(১) মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর দ্বারা ওসীলা।

(২) নিজের নেক আমলের দ্বারা ওসীলা।

(৩) কোন জীবিত নেক ব্যক্তির নিকট দুআর আবেদন জানিয়ে দুআর দ্বারা ওসীলা।

উপরোক্ত বিষয় গুলির ব্যাখ্যা হচ্ছে,

মহান আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর দ্বারা ওসীলা করার অর্থ হচ্ছে, কোন মুসলমান যখন কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে দুআ করবে, তখন সে এই বলে দুআ করবে যে, হে আল্লাহ! তুমি রহমান(দয়ালু) তুমি রহীম, তুমি রাজ্জাক (রিজিক দাতা) তুমি বিপদ মুক্তকারী, তুমি সন্তানদাতা ইত্যাদি, অতএব তোমার অমুক নাম বা গুণের ওসীলায় আমার প্রয়োজন পূরণ কর, আমার দুআ কবুল কর।

এ বিষয়ের দলীল হচ্ছে, আল্লাহ বলেন,
وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ فَادْعُوهُ بِهَا وَذَرُوا الَّذِينَ يُلْحِدُونَ فِي أَسْمَائِهِ
আর আল্লাহর জন্য রয়ছেে সব উত্তম নাম। কাজইে সে নাম ধরইে তাঁকে ডাক। আর তাদরেকে র্বজন কর, যারা তাঁর নামরে ব্যাপারে বাঁকা পথে চল।

আবু বুরাইদা তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন,তিনি বলেন,রাসূল  একজনকে এই দুআ পড়তে শুনলেন,

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ بِأَنِّي أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ. الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ. فَقَالَ: ্রقَدْ سَأَلَ اللَّهَ بِاسْمِ اللَّهِ الْأَعْظَمِ الَّذِي إِذَا سُئِلَ بِهِ أَعْطَى، وَإِذَا دُعِيَ بِهِ أَجَابَ.

হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি এজন্য যে, তুমি একমাত্র উপাস্য, তুমি ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই, তুমি একক, তুমি অমুখাপক্ষেী। তনিি কাউকে জন্ম দনেনি এবং কউে তাঁকে জন্ম দয়েন।আর তাঁর সমতুল্য কউে নইে।

নবী সাঃ বলেন, সে আল্লাহর মহান নামের ওসীলায় আল্লাহর কাছে চেয়েছে, আর এ নামে ডাকলে দুআ কবুল হয়। নেক আমল দ্বারা ওসীলা করার অর্থ হচ্ছে, কোন মুসলমান যখন কোন প্রয়োজনে আল্লাহর কাছে দুআ করবে, তখন সে এই বলে দুআ করবে যে, হে আল্লাহ! আমার তোমার প্রতি ঈমান আনার ওসীলায়, অথবা তোমার নবীর মহব্বতের ওসীলায়, তানাহলে বলবে, আমার অমুক নেক কাজের (সলাত, রোযা, হজ্জ, যাকাত , দান খয়রাত) ইত্যাদির ওসীলায় আমার প্রয়োজন পূরণ কর, আমার দুআ কবুল কর।


এ বিষয়ের দলীল হচ্ছে, আল্লাহ বলেন,
الَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا إِنَّنَا آمَنَّا فَاغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ
যারা বল, হে আমাদরে পালনর্কতা, আমরা ঈমান এনেছি কাজইে আমাদরে গােনাহ ক্ষমা করে দাও আর আমাদরেকে জাহান্নামের আযাব থকেে রক্ষা কর।(আল-ইমরান:১৬)

এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইবনে কাছীর রহ: বলেন হে রব! তোমার প্রতি এবং তুমি যে কিতাব অবতীর্ণ করেছো তার প্রতি ঈমান এনেছি, অতএব এর ওসীলায় আমাদের গুণাহকে ক্ষমা কর, এবং জাহান্নাম থেকে রক্ষা কর।

গুহাবাসীদের ওসীলা: ইবনে উমার রাঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূল সাঃ কে বলতে শুনেছি,

انْطَلَقَ ثَلَاثَةُ رَهْطٍ مِمَّنْ كَانَ قَبْلَكُمْ حَتَّى آوَاهُمُ الْمَبِيتُ إِلَى غَارٍ، فَدَخَلُوا فِيهِ، فَانْحَدَرَتْ مِنَ الْجَبَلِ صَخْرَةٌ فَسَدَّتْ عَلَيْهِمُ الْغَارَ، فَقَالُوا: إِنَّهُ وَاللَّهِ لَا يُنْجِيكُمْ مِنْ هَذِهِ الصَّخْرَةِ إِلَّا أَنْ تَدْعُوا اللَّهَ بِصَالِحِ أَعْمَالِكُمْ، فَقَالَ رَجُلٌ مِنْهُمُ: اللَّهُمَّ كَانَ لِي أَبَوَانِ شَيْخَانِ كَبِيرَانِ، فَكُنْتُ لَا أَغْبِقُ قَبْلَهُمَا أَهْلًا وَلَا مَالًا، فَنَأَى بِي طَلَبُ الشَّجَرِ يَوْمًا، فَلَمْ أُرِحْ عَلَيْهِمَا حَتَّى نَامَا، فَحَلَبْتُ غَبُوقَهُمَا فَجِئْتُهُمَا بِهِ، فَوَجَدْتُهُمَا نَائِمَيْنِ، فَتَحَرَّجْتُ أَنْ أُوقِظَهُمَا، وَكَرِهْتُ أَنْ أَغْبِقَ قَبْلَهُمَا أَهْلًا أَوْ مَالًا، فَقُمْتُ وَالْقَدَحُ عَلَى يَدِي أَنْتَظِرُ اسْتِيقَاظَهُمَا حَتَّى بَرَقَ الْفَجْرُ، فَاسْتَيْقَظَا فَشَرِبَا، اللَّهُمَّ فَإِنْ كُنْتُ فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ مِنْ هَمِّ هَذِهِ الصَّخْرَةِ، فَانْفَرَجَتِ انْفِرَاجًا لَا يَسْتَطِيعُونَ الْخُرُوجَ مِنْهُ ” قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” وَقَالَ الْآخَرُ: اللَّهُمَّ كَانَتْ لِي ابْنَةُ عَمٍّ، كَانَتْ أَحَبَّ النَّاسِ إِلَيَّ، فَأَرَدْتُهَا فَامْتَنَعَتْ مِنِّي، حَتَّى أَلَمَّتْ بِهَا سَنَةٌ جَهِدَتْ فِيهَا، فَجَاءَتْنِي وَأَعْطَيْتُهَا عِشْرِينَ وَمِائَةَ دِينَارٍ عَلَى أَنْ تُخَلِّيَ بَيْنِي وَبَيْنَ نَفْسِهَا، فَفَعَلَتْ، حَتَّى إِذَا قَدَرْتُ عَلَيْهَا قَالَتْ: لَا يَحِلُّ لَكَ أَنْ تَفُضَّ الْخَاتَمَ إِلَّا بِحَقِّهِ، فَتَحَرَّجْتُ مِنَ الْوُقُوعِ عَلَيْهَا، فَانْصَرَفْتُ عَنْهَا، وَهِيَ أَحَبُّ النَّاسِ إِلَيَّ، وَتَرَكْتُ لَهَا الذَّهَبَ الَّذِي أَعْطَيْتُهَا، اللَّهُمَّ فَإِنْ كُنْتُ فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ مِنْ هَمِّ هَذِهِ الصَّخْرَةِ، فَانْفَرَجَتِ الصَّخْرَةُ غَيْرَ أَنَّهُمْ لَا يَسْتَطِيعُونَ أَنْ يَخْرُجُوا مِنْهَا ” قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: ” ثُمَّ قَالَ الثَّالِثُ: اللَّهُمَّ اسْتَأْجَرْتُ أُجَرَاءَ ، فَأَعْطَيْتُهُمْ أُجُورَهُمْ غَيْرَ رَجُلٍ مِنْهُمْ وَاحِدٍ، تَرَكَ أَجْرَهُ وَذَهَبَ، فَثَمَّرْتُ أَجْرَهُ حَتَّى كَثُرَتْ مِنْهُ الْأَمْوَالُ، فَارْتَفَعَتْ فَجَاءَنِي بَعْدَ حِينٍ، فَقَالَ لِي: يَا عَبْدَ اللَّهِ أَدِّ إِلَيَّ أَجْرِي، فَقُلْتُ لَهُ: كُلُّ مَا تَرَى مِنْ أَجْرِكِ مِنَ الْإِبِلِ وَالْبَقَرِ وَالْغَنَمِ وَالرَّقِيقِ، فَقَالَ: يَا عَبْدَ اللَّهِ لَا تَسْتَهْزِئْ بِي، فَقُلْتُ: إِنِّي لَا أَسْتَهْزِئُ بِكَ، فَأَخَذَ ذَلِكَ كُلَّهُ، فَاسْتَاقَهُ وَلَمْ يَتْرُكْ لِي مِنْهُ شَيْئًا، اللَّهُمَّ فَإِنْ كُنْتُ فَعَلْتُ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ وَجْهِكَ فَافْرُجْ عَنَّا مَا نَحْنُ فِيهِ مِنْ هَمِّ هَذِهِ الصَّخْرَةِ، فَانْفَرَجَتِ الصَّخْرَةُ وَخَرَجُوا مِنَ الْغَارِ يَمْشُونَ “،

আমাদের পূর্বেকার জাতির তিনজন কোথাও যাচ্ছিলেন, পথিমধ্যে তারা এক গুহায় রাত্রি যাপনের জন্য অবস্থান করেন, হঠাৎ একটা পাথর এসে তাদের গুহার দরজাকে বন্ধ করে দেয়। তারা পরস্পর বলাবলি করতে লাগল, আল্লাহর কসম! আমাদের এ বিপদ থেকে একমাত্র আমাদের নেক আমলের ওসীলায় রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

তাদের একজন এই বলে ওসীলা করলো যে, আমার অতিবৃদ্ধ পিতা-মাতা ছিল, আমি আমার ছেলে-মেয়ে, স্ত্রীর আগে তাদেরকে সন্ধাকালীন দুধ পান করাতাম, একদিন কোন কারণে দেরী হওয়ায় এসে দেখি তারা ঘুমিয়ে গেছে, আর আমি দুধ হাতে সারা রাত তাদের অপেক্ষাই দাঁড়িয়ে ছিলাম,অতপর যখন ফজর উদিত হল, তখন তারা ঘুম থেকে জাগলে তাদেরকে দুধ পান করায়।

হে আল্লাহ! একাজ যদি তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি, তাহলে আজ এই বিপদের মুহুর্তে পাথরটি সরিয়ে দাও, ফলে পাথরটির কিছু অংশ সরে গেল, কিন্তু তখনও তারা বের হতে সক্ষম হল না।

রাসূল সাঃ বলেন, দ্বিতীয় ব্যক্তি এই বলে ওসীলা করলো যে, আমার একটা চাচাতো বোন ছিল, যাকে আমি অত্যান্ত ভালোবাসতাম, আর আমি তার সাথে ব্যাভিচার করতে চাইলে সে রাজি হলনা। কোন এক বছর সে অর্থসংকটে পড়ে আমার কাছে আসে, তখন আমি তাকে এই শর্তে অর্থ (টাকা) দিতে রাজি হয়েছি যে, সে আমার সাথে ব্যাভিচার করবে, এ শর্তে সে রাজি হয়ে যায়, অতপর আমি তার সাথে যখন খারাপ কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করি, তখন সে বলল হালালভাবে ব্যতীত এ কাজ করা ঠিক হবে না।

এ কথা শুনে আমি খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকি এবং তাকে মুক্ত করেদি ও প্রদত্ত সম্পদও তাকে দিয়েদি। হে আল্লাহ! একাজ যদি তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি, তাহলে আজ এই বিপদের মুহুর্তে পাথরটি সরিয়ে দাও, ফলে পাথরটির কিছু অংশ সরে গেল,কিন্তু তখনও তারা বের হতে সক্ষম হল না।

রাসূল সাঃ বলেন, তৃতীয় ব্যক্তি এই বলে ওসীলা করলো যে, হে আল্লাহ! একদা আমি কিছু কর্মচারীকে কাজে লাগাই, সকলে তাদের পারিশ্রমিক নিয়ে নেয় শুধু একজন ব্যতীত। সে তার পারিশ্রমিক না নিয়ে চলে যায়, তার রেখে যাওয়া মজুরী (টাকা) দ্বারা আমি ব্যবসা-বাণিজ্য করতে থাকি, এক সময় যখন মাল-সম্পদ অনেক বেড়ে যায়, তখন সে এসে বলে, হে অমুক! আমার রেখে যাওয়া টাকা (সম্পদ) কোথায়? আমি বললাম ঐ যে দেখছো উট, গরু, ছাগল, চাকর-নোকর ওসব তোমার। তখন সে (কর্মচারী) বলল, দেখ আমার সাথে ঠাট্টা করোনা, আমি বললাম, আমি ঠাট্টা করছিনা। তখন সে কোন কিছু না রেখে, সবকিছু নিয়ে গেল।

হে আল্লাহ! একাজ যদি তোমার সন্তুষ্টির জন্য করে থাকি, তাহলে আজ এই বিপদের মুহুর্তে পাথরটি সরিয়ে দাও, ফলে পাথরটির সরে গেল,এবং তারা গুহা থেকে বের হয়ে চলে গেল।

জীবিত, সৎ ব্যক্তির দুআ দ্বারা ওসীলা করার অর্থ হচ্ছে, কোন মুসলমান যখন কোন সমস্যায় নিপতিত হবে, অথবা কোন বিপদ আপদে পড়বে, তখন কোন জীবিত, সৎ ব্যক্তির (আলেম) কাছে গিয়ে বলবে,আমি অমুক বিপদে, অমুক সমস্যায় পড়েছি, আপনি আমার জন্য দুআ করুন, যাতে আল্লাহ আমাকে ঐ সকল সমস্যা, ঐ সকল বিপদ আপদ থেকে আল্লাহ আমাকে রক্ষা করেন।

এ বিষয়ের দলীল হচ্ছে, (১নং প্রমাণ) আনাস  থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أَصَابَتِ النَّاسَ سَنَةٌ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ ، فَبَيْنَا النَّبِيُّ  يَخْطُبُ فِي يَوْمِ جُمُعَةٍ قَامَ أَعْرَابِيٌّ، فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ: هَلَكَ المَالُ وَجَاعَ العِيَالُ، فَادْعُ اللَّهَ لَنَا، فَرَفَعَ يَدَيْهِ وَمَا نَرَى فِي السَّمَاءِ قَزَعَةً، — وَقَامَ ذَلِكَ الأَعْرَابِيُّ – أَوْ قَالَ: غَيْرُهُ – فَقَالَ: يَا رَسُولَ اللَّهِ، تَهَدَّمَ البِنَاءُ وَغَرِقَ المَالُ، فَادْعُ اللَّهَ لَنَا، فَرَفَعَ يَدَيْهِ —

রাসূলের যুগে মানুষদেরকে একবার দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়,একদা মহানবী সাঃ জুমআর খুতবা দচ্ছিলিনে। এমন সময় এক মরুবাসী (বদেুঈন) উঠে দাঁড়য়িে বলল, হে আল্লাহর রাসূল সাঃ মাল-ধন ধ্বংস হয়ে গলে, আর পরবিার-পরজিন (খাদ্যরে অভাবে)ক্ষুর্ধাত থকেে গলে।

সুতরাং আপনি আমাদরে জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করুন। তখন মহানবী সাঃ নজিরে দুই হাত তুলে দুআ করলনে। ফলে এমন বৃষ্টি শুরু হল যে পরর্বতী জুমআতে উক্ত (বা অন্য এক) ব্যক্তি পুনরায় দাঁড়য়িে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! ঘর-বাড়ি ভঙেে গলে এবং মাল-ধন ডুবে গলে।.

সুতরাং আপনি আমাদরে জন্য দুআ করুন! মহানবী সাঃ তখন নজিরে হাত তুলে পুনরায় বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার জন্য দুআ করলনে—।

(২নং প্রমাণ) আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
أَنَّ عُمَرَ بْنَ الخَطَّابِ ، كَانَ إِذَا قَحَطُوا اسْتَسْقَى بِالعَبَّاسِ بْنِ عَبْدِ المُطَّلِبِ، فَقَالَ: ্রاللَّهُمَّ إِنَّا كُنَّا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ بِنَبِيِّنَا فَتَسْقِينَا، وَإِنَّا نَتَوَسَّلُ إِلَيْكَ بِعَمِّ نَبِيِّنَا فَاسْقِنَاগ্ধ قَالَ:فَيُسْقَوْنَ

অর্থাৎ উমার রাঃ যখন অনাবৃষ্টির সম্মুখীন হতেন, (তখন রাসূলের চাচা) আব্বাস বিন আব্দুল মুত্তালিব রাঃ নিয়ে আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য দুআ করতেন, বলতেন,

হে আল্লাহ! আমরা আমাদের নবীকে নিয়ে(ওসীলা করে) তোমার কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করতাম, তুমি বৃষ্টি বর্ষন করতে, এখন আমরা আমাদের নবীর চাচাকে নিয়ে (ওসীলা করে) তোমার কাছে বৃষ্টি প্রার্থনা করছি, অতএব, আমাদের বৃষ্টি দান কর। রাবী বলেন, তাদেরকে বৃষ্টি দান করা হত।
________________________________________
লেখকঃ ড: রেজাউল করিম মাদানী।হাফিয্বাহুল্লাহ
ফেসবুক আইডি লিংক-https://www.facebook.com/abusamer.reja
_________________________________________
পোষ্টার ডিজাইনার: কাওসার আহমেদ বেপারি।
_________________________________________
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

► আপনার যদি পোস্টটি ভাল লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই শেয়ার করুন ও পরবর্তী আপডেট পেতে পেজটি লাইক দিয়ে রাখুন। কেননা রাসূল (সাঃ) বলেছেন,“যে ব্যক্তি মানুষকে হিদায়াতের দিকে ডাকে তার জন্য ঠিক ঐ পরিমাণ সাওয়াব রয়েছে, যে পরিমাণ পাবে তাকে অনুসরণকারীরা।” [সহীহ মুসলিম/২৬৭৪,৬৮০৪]

► আমাদের পোস্টগুলি কপিরাইট মুক্ত! সুতরাং আপনি চাইলে পেজের কনটেন্টগুলো হুবহু কপি করে ফেসবুক বা যেকোন মাধ্যমে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে প্রচার করতে পারেন বিনা অনুমতিতে।
জায্বাকুমুল্লাহ।

►আলিমদের সাথে,সালাফদের পথে।
►বার্তা-The Massage Of Allah S.W.T
https://www.facebook.com/Barta.4u

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

5 + two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য