Saturday, July 20, 2024
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

হোমদৈনন্দিন খবররাস্তায় মা হলেন পাগলী, পুলিশের ফোনেও এলো না অ্যাম্বুলেন্স!

রাস্তায় মা হলেন পাগলী, পুলিশের ফোনেও এলো না অ্যাম্বুলেন্স!

শনিবার রাত তখন পৌনে ৮টা। চারিদিকে অন্ধকার ও কনকনে শীত। এর মধ্যেই সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালের অদূরে মহাসড়কের পাশে খোলা আকাশের নিচে প্রসব যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন এক পাগলী মা (৩৫)। এ দৃশ্য দেখে সেখানে ভিড় করেন কৌতহূলী পথচারীরা। এক পর্যায়ে তাদেরই কেউ একজন খবর দেন পুলিশে। 

খবর পেয়ে ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শফিকুল ইসলাম ছুটে যান সেখানে। কিন্তু ততক্ষণে একটি ফুটফুটে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন পাগলী। শফিক এ দৃশ্য দেখে পাগলী মা ও তার সন্তানকে হাসপাতালে পাঠাতে বেশ কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সকে ফোন করেন। কিন্তু পাগল শুনে কেউই এগিয়ে আসেননি। শেষে নিজের ডিউটির গাড়িতে তুলে নিয়ে পাগলী ও তার ছেলেকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান ইন্সপেক্টর শফিক।

ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর শফিকুল ইসলাম বলেন, ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালের সামনেই পাগলীটি প্রসব যন্ত্রণায় ছটপট করছিলেন। এ দৃশ্য দেখে লোকজন আমাকে জানায়। কর্তব্যের কারণেই সেখানে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি খোলা আকাশের নিচে এই প্রচণ্ড শীতের মধ্যেই তার সন্তানের জন্ম হয়ে গেছে। আমি স্থানীয় এক মহিলাকে অনুরোধ করলে তিনি আনুসাঙ্গিক কাজগুলো করে দেন। তারপর কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সকে খবর দেই। কিন্তু পাগল শুনে কেউ এগিয়ে আসেনি। শেষে আমি নিজের ডিউটির গাড়ি দিয়েই তাদেরকে চমেকে নিয়ে যাই। 

তিনি আরো জানান, রাতে সাড়ে ৮টায় তাদেরকে চমেকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ৩২নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছে। তারা সুস্থ এবং ডাক্তারদের তত্বাবধানে আছেন। 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

3 × 1 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য