আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাতার ও তুরস্ক একত্রে কাজ করবে। সোমবার কাতারের রাজধানী দোহায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
Powered by
কাতার ও তুরস্কের মধ্যে দুই দিনের বার্ষিক কাতার-তুরস্ক কৌশলগত সংলাপের প্রস্তুতির বিষয়ে জানাতে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সংলাপে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-সানি ও তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের যৌথ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল-সানি বলেন, তুরস্ক ও তালেবান কর্মকর্তাদের সাথে মিলে কাতার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু রাখতে কাজ করবে।
Powered by
তিনি আরো বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে মানবিক সাহায্য প্রদান ও অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু রাখতে আঙ্কারার সাথে মিলে দোহা কাজ করে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মওলুদ চাভুশওলু আফগানিস্তানে ‘শান্তি ও স্থিতিশীলতা’ প্রতিষ্ঠায় তালেবানের সাথে সংলাপে যুক্ত হওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আহ্বান জানান। এইক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও মানবিক অবস্থানকে ‘ভাগ’ করে নেয়ার কথা বলেন তিনি।
চাভুশওলু বলেন, ‘আফগান জনগণের প্রচণ্ডভাবে মানবিক সহায়তা প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত রাজনৈতিক উদ্দেশ্য দূরে রেখে আফগান জনগণকে মানবিক সহায়তা দেয়া। কাতার ও তুরস্কের সংবেদনশীলতা এই ক্ষেত্রে উদাহরণ তৈরি করেছে।’
কাতার ও তুরস্কের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে ২০১৪ সালে দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে সুপ্রিম স্ট্র্যাটেজিক কমিটি গঠন করা হয়। প্রতিবছরই এই কমিটির সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
এই বছরের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে নতুন ১২টি চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এছাড়া ফিলিস্তিন ইস্যু এবং সিরিয়া ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে আলোচনা হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সূত্র : আলজাজিরা ও আনাদোলু এজেন্সি
