Wednesday, April 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআফগানিস্তান সরকার গঠন : তালেবানের সাথে আলোচনা ইমরান খানের

আফগানিস্তান সরকার গঠন : তালেবানের সাথে আলোচনা ইমরান খানের

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আফগানিস্তানের সরকারে যাতে তাজিক, উজবেক ও হাজারাসহ সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্ব থাকে এ লক্ষ্যে তিনি তালেবানের সাথে আলোচনা শুরু করেছেন।

টুইটারে এক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, তাজিকিস্তানে সম্প্রতি সাংহাই সহযোগিতা সংগঠনের এক শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তানের প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠকের পর তিনি এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী খান বলেন, আফগানিস্তানে ৪০ বছর ধরে যুদ্ধ চলার পর নতুন সরকারে সংখ্যালঘু প্রতিনিধিত্ব থাকলে তবেই এই দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত হবে। তালেবানের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বেশিরভাগ সদস্যই পশতুন জাতিগোষ্ঠীর। তাদের মন্ত্রিসভায় একজনও নারী নেই।

বিবিসির সংবাদদাতা লিস ডুসেট সম্প্রতি এক নিবন্ধে লিখেছেন, বেশ কিছুদিন ধরেই তালেবান নেতারা এসব কথা বলে আসছিলেন, ‘আমরা এমন একটি সরকার গঠন করার চেষ্টা করছি, যাতে আফগানিস্তানের সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব থাকে। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই।’

তালেবানের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ্ মুজাহিদ এ কথা বলেছিলেন। ঝড়ের গতিতে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর গত ১৫ অগাস্ট কাবুলে তালেবানের প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ‘আমরা দেশের ভেতরে বা বাইরে কোনো শত্রু চাই না।’

লিস ডুসেট লিখেছেন, তালেবান সবাইকে নিয়ে সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও সেটা একেবারেই হয়নি। তালেবানের নেতৃত্বে পুরনো কাঠামো, এর নানা ধরনের কমিশন, ডেপুটি ও সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আমির হেবাতুল্লাহ আখুনজাদা- এদের সবাইকে বসিয়ে দেয়া হয়েছে মন্ত্রিসভার কাঠামোর মধ্যে, যেমনটি অন্য দেশের সরকারের রাজনৈতিক কাঠামোতেও দেখা যায়।

নতুন তালেবান সরকারের কাঠামো
পুরনো তালেবান সরকারের নৈতিকতা সম্পর্কিত মন্ত্রণালয়টি পুনর্বহাল করা হয়েছে। নারীবিষয়ক মন্ত্রণালয় বাদ দেয়া হয়েছে। সরকারের সদস্যরা বেশিরভাগই পশতু জাতিগোষ্ঠীর সদস্য। মন্ত্রিসভায় রয়েছেন একজন তাজিক ও একজন হাজারা। তারা দু’জনেই তালেবানের সদস্য। এমনকি উপমন্ত্রীর মর্যাদায়ও কোনো নারী নেই।

তালেবানের এই নতুন সরকার গঠিত হয়েছে পুরনো তালেবান নেতা ও নতুন প্রজন্মের মুল্লাহ ও সামরিক অধিনায়কদের নিয়ে। ১৯৯০-এর দশকে তালেবানের যারা নেতৃত্ব দিয়েছেন তারা ফিরে এসেছেন। তাদের দাড়ির রং এখন সাদা, দাড়ির দৈর্ঘ্যও বেড়েছে। সরকারে রয়েছে গুয়ানতানামো বে থেকে ফিরে আসা কিছু সদস্য।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসঙ্ঘের কালো তালিকাভুক্ত কয়েকজন সদস্য গত কয়েক মাস ধরে তীব্র লড়াইয়ে যুক্ত ছিলেন এমন ক‌য়েকজন অধিনায়ক, আর কিছু স্বঘোষিত শান্তি আলোচনাকারী- তারা নানা দেশে ঘুরে সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে এটি তালেবানের নতুন সংস্করণ।

সূত্র : বিবিসি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

six − 4 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য