Thursday, April 23, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআযান দিতে দিতে জীবন প্রদীপ নিভলো মুয়াজ্জিনের

আযান দিতে দিতে জীবন প্রদীপ নিভলো মুয়াজ্জিনের

রাতের শেষ প্রান্তে আকাশে স্পষ্ট হয়ে উঠলো আলোর রেখা। ওয়াক্ত হলো ফজর নামাজের। বয়সী একজন মুয়াজ্জিন মসজিদ পানে ছুটে গেলেন আজান দিতে। মানুষকে সালাত তথা নামাজের দিকে ডাকতে। কিন্তু মহান আল্লাহর অমোঘ নিয়মে আজান দিয়ে নামাজের দিকে আহ্বান করার সময়ই নিভে গেল তার জীবন প্রদীপ।

ফজরের নামাজের আজানরত অবস্থায় আলহাজ হাসানি নামের মিসরী এক বুজুর্গ মুয়াজ্জিন ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার এমন সুন্দর ব্যতিক্রমী অবস্থায় ইন্তেকালের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বেশ ইতিবাচক আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।

এ ঘটনায় অনেকেই মুয়াজ্জিনের জন্য দোয়া করার পাশাপাশি নিজেদেরও যেন দুনিয়া থেকে এমন ‘খাতেমাহ বিল-খাইর’ তথা উত্তম বিদায় হয়, সেজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন।

সৌদি আরবের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আলআরাবিয়া জানিয়েছে, মিসরের আল-মানুফিয়া জেলার আল-বাজাউর এলাকার একটি মসজিদে শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) এমনটি ঘটে। আজানের ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ তথা ‘নামাজের জন্য এসো’ – এই অংশটুকু বলা শেষ হওয়ার পর মুয়াজ্জিন আলহাজ হাসানির ইন্তেকাল হয়।

স্থানীয়রা জানান, তিনি আদতে অত্যন্ত ভাল ও সদাচারী একজন মানুষ ছিলেন।

আলহাজ হাসানির ছেলে মাহমুদ হাসানি জানান, কয়েক বছর যাবত তার বাবা মহল্লার মসজিদে স্বেচ্ছায় ও বিনাপারিশ্রমিকে আজান দিচ্ছেন। তিনি নিজে শুধু একজন খালেস নামাজী ছিলেন এমন নয় বরং অন্যদেরকেও নামাজের প্রতি যত্নবান হতে দাওয়াত দিতেন।

ইন্তেকালের দিনের ঘটনা বর্ণনা করে মাহমুদ হাসানি বলেন, ‘প্রতিদিনের মতো শুক্রবার ভোরেও অজু করে বাবা মসজিদে যান। তিনি আজান শুরু করেছেন, আমরা তাও শুনি। কিন্তু হঠাৎ ‘হাইয়া আলাস সালাহ’ বলার পরে আর কোন আওয়াজ শোনা যায়নি। আমরা দৌড়ে মসজিদে গেলাম একথা জানতে যে, আজান কেনো পূর্ণ করা হলো না। কিন্তু আমরা মসজিদে প্রবেশ করে দেখতে পাই, বাবা মসজিদের মেঝেতে কিবলামুখী হয়ে পড়ে আছেন। বুঝতে পারি – তিনি আর পৃথিবীতে নেই।

সূত্র : আলআরাবিয়া

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 3 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য