Sunday, April 19, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরআসাম পুলিশের গুলিতে বাঙালির মৃত্যু

আসাম পুলিশের গুলিতে বাঙালির মৃত্যু

অসম পুলিশের গুলিতে এক বাঙালির মৃত্যুতে সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদে পথে নেমেছে বাংলা পক্ষ। গতকাল শনিবার চিনার পার্ক সংলগ্ন এলাকায় পথসভা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়। বাঙালি হত্যার বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে সরব বাংলা পক্ষ।

প্রসঙ্গত, ২২ সেপ্টেম্বর আসামের দারাং জেলায় বাঙালিদের ভিটে থেকে উচ্ছেদ করার সময়ে পুলিশের গুলিতে নৃশংসভাবে মৃত্যু হয় মইনুল হক নামের এক বাঙালি যুবকের। শুধু তাই নয়, মৃত ব্যক্তির বুকের ওপর বিজয় শঙ্কর বানিয়া নামক এক অসমিয়া চিত্র সাংবাদিককে দেখা যায় বুট পরে লাফালাফি করতে। এ ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বাংলা ও ভারতের বাঙালি সমাজ। এ বাঙালি হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ। ইতোমধ্যেই সারা বাংলা জুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে বাংলা পক্ষ। গতকাল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার চিনার পার্ক সংলগ্ন সলুয়া বাজারে একটি পথসভা ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করে। সংগঠনের তরফ থেকে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদের সদস্য অমিত সেন ও উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, জেলা কমিটির সদস্য সায়ন মিত্র এবং অন্যান্য সহযোদ্ধারা।

এ বিষয়ে সলুয়া বাজারে অবস্থিত ভারতীয় সেনার আসাম রেজিমেন্টের ট্রানজিট শিবিরের সামনে উল্লেখ্য কর্মসূচিটি পালন করা হয়। উক্ত সভা থেকে তারা বাঙালি হত্যার বিরুদ্ধে সুবিচার চেয়ে আওয়াজ তুলেছে। উল্লেখ্য, তবে এই প্রথমবার নয় বাঙালির সুবিধা-অসুবিধায় এর আগেও বহুবার বাংলাপক্ষ আওয়াজ তুলেছে। আগস্ট মাসের শেষের দিকে পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় প্রতিটা কারখানাতে বাঙালির কাজের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সুপার ফ্যাক্টরির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে বাংলা পক্ষ। জামুড়িয়া বাংলার মাটিতে। কিন্তু জামুড়িয়ার সুপার ফ্যাক্টরিসহ ইকরার শিল্প তালুকে অসংখ্য কারখানা থাকলেও বাঙালিকে কাজে নেওয়া হয় না বলে অভিযোগ। এরপরেই প্রতিবাদে নামেন তারা। ২০২০ সালেও কলকাতায় রেলের জিএম অফিসে একজনও বাঙালি কর্মী না থাকায় প্রতিবাদ জানিয়েছিল বাংলাপক্ষ। সূত্র : এশিয়ানেট নিউজ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

three × three =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য