عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: مَا طَلَعَتِ الشَّمْسُ إِلَّا وَبِجَنْبَتَيْهَا مَلَكَانِ يُنَادِيَانِ يُسْمِعَانِ الْخَلَائِقَ غَيْرَ الثَّقَلَيْنِ: يَا أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمُّوا إِلَى رَبِّكُمْ مَا قَلَّ وَكَفَى خَيْرٌ مِمَّا كَثُرَ وَأَلْهَى «رَوَاهُمَا أَبُو نُعَيْمٍ فِي» الْحِلْية
اسنادہ ضعیف ، رواہ ابو نعیم فی حلیۃ الاولیاء (1 / 226) [و احمد (5 / 197 ح 22064)] * قتادۃ مدلس و عنعن و مع ذلک صححہ ابن حبان (الموارد : 814 ، 2476) و الحاکم (2 / 444 ۔ 445) و وافقہ الذھبی (!) و حدیث البخاری (1442) و مسلم (1010)، (2336) یغنی عنہ
আবু দারদা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: সূর্য উদয় হওয়ার সাথেই তার দু’পার্শ্বে দু’জন মালাক (ফেরেশতা) জিন্ ও মানুষ ছাড়া সকল সৃষ্টজীবকে শোনানোর উদ্দেশে ঘোষণা করে, হে মানুষ সকল! তোমরা তোমাদের প্রভুর দিকে আসো। (শুনে রাখো,) যে সম্পদের প্রাচুর্য আল্লাহ ও তাঁর স্মরণ হতে গাফিল করে রাখে, তা অপেক্ষা প্রয়োজনমাফিক স্বল্প সম্পদই উত্তম। (আবূ নু’আয়ম হিলইয়াহ গ্রন্থে হাদীস দু’টি বর্ণনা করেছেন)
সহীহ : আবূ নু’আয়ম হিলইয়াতুল আওলিয়া ১/২২৬, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ৯১৭, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ২০১৯৮, মুসান্নাফ ইবনু আবী শায়বাহ ২৯৫১৬, আবু ইয়া’লা ১০৫৩, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৩২৯, আল মু’জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৮৪৪৫, আল মু’জামুল আওসাত্ব ২৫৪১।
ব্যাখ্যা : (يُسْمِعَانِ الْخَلَائِقَ غَيْرَ الثَّقَلَيْنِ) জিন ইনসান ব্যতীত সকল সৃষ্টিই সে আওয়াজ শুনতে পায়, এ বাক্যটি পূর্বের বাক্য থেকে (بَدَلٌ) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। অথবা তার (حَالٌ) থেকে (بَيَانٌ بَعْدَ بَيَانٍ) হয়েছে মানুষ এবং জিন্ মুকাল্লাফ হওয়ার কারণে এ অদৃশ্য আওয়াজ শুনতে পায় না।
মালাকের (ফেরেশতার) আহ্বান, (يَا أَيُّهَا النَّاسُ هَلُمُّوا إِلَى رَبِّكُمْ) “হে লোক সকল! তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের দিকে আসো”- এর অর্থ হলো তোমরা তার নির্দেশসমূহ এবং হুকুম পালন কর। যেমন আল্লাহ তা’আলা বলেন : (فَفِرُّوۡۤا اِلَی اللّٰهِ)“অতঃপর তোমরা আল্লাহর দিকে ধাবিত হও।” (সূরাহ্ আয যা-রিয়া-ত ৫১:৫০)
মহান আল্লাহ আরো বলেন: (وَ تَبَتَّلۡ اِلَیۡهِ تَبۡتِیۡلًا) “সবকিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তার দিকেই রুজু হও।” (সূরাহ্ আল মুযযাম্মিল ৭৩: ০৮) সম্পদ অল্পই ভালো কেননা অধিক সম্পদ মানুষকে আল্লাহ থেকে গাফিল বা বিমুখ করে রাখে। (মিক্বাতুল মাফাতীহ; লুম’আতুত্ তানক্বীহ ৮ম খণ্ড, ৪৪৬ পৃ.; আল কাশিফ লিত্বী ১০ম খণ্ড, ৩৩০৪ পৃ.)।
