তীব্র ক্ষুধা আর ওষুধের অভাবের কারণে গাজার ফিলিস্তিনিরা ‘প্রতি মুহূর্তে মৃত্যুর’ মুখোমুখি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে যে- অব্যাহত ইসরাইলি দখলদারিত্ব এবং গাজা ও উত্তর প্রদেশে অবরুদ্ধ নাগরিকদের মৌলিক খাদ্যসামগ্রী এবং চিকিৎসার সারঞ্জাম প্রবেশে বাধা প্রদানের কারণে ৭ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনির জীবনকে হুমকির মুখে ফেলেছে।’
এক টেলিগ্রাম পোস্টে হামাস আরো বলেছে যে- আরব বিশ্ব এবং বাকি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরবতা ‘সন্দেহজনক’ ছিল।
হামাস বলেছে, গাজার ফিলিস্তিনিরা ‘এখনো এই আশা নিয়ে বেঁচে আছে যে- তারা এই পৃথিবীতে এমন একজনকে খুঁজে পাবেন যিনি তাদের আর্তনাদ শুনবেন এবং অনেক দেরি হওয়ার আগেই তাদের রক্ষা করবেন।’
এদিকে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে ‘সবচেয়ে বড় বাধা’ হলো ইসরাইলি অবৈধ বসতি বলে জানিয়েছে নরওয়ে।
নরওয়ে বলেছে যে- ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের অব্যাহত দখলদারিত্ব এবং সম্প্রসারিত বসতি স্থাপনের উদ্যোগ হচ্ছে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের প্রধান বাধা।
আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) দেয়া এক বক্তব্যে নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসপেন বার্থ এইড বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনিদের উপর যে অবিচার করা হচ্ছে তা বন্ধ করতে হবে’ এবং একটি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানই ‘ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘাতের একমাত্র সমাধান’।
এসপেন বার্থ আরো বলেছেন, ‘যখন বিশ্বের চোখ গাজার ভয়ঙ্কর যুদ্ধের দিকে, তখন অধিকৃত পশ্চিম তীরসহ ও পূর্ব জেরুসালেমের পরিস্থিতিও অত্যন্ত গুরুতর’।
সূত্র : আল-জাজিরা
