Wednesday, April 22, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরব্যারিস্টার সুমনের ডাকে খোয়াই নদীতে ৭শত  স্বেচ্ছাসেবী

ব্যারিস্টার সুমনের ডাকে খোয়াই নদীতে ৭শত  স্বেচ্ছাসেবী

প্রতিশ্রুতি ছিল খোয়াই নদীর বর্জ্য ও দুর্গন্ধ মুক্তকরণ করবেন ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন। সংসদ সদস্য নির্বাচিত  হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেন চুনারুঘাট-মাধবপুরের নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য।

প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গত রোববার পুরাতন খোয়াই নদীর বর্জ্য অপসারণ ও দুর্গন্ধ মুক্তকরণ কার্যক্রম শুরু করেন তিনি। সেদিন তার কয়েকজন অনুসারী ১৫-২০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে চুনারুঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের পাশে খোয়াই নদীর বর্জ্য অপসারণ শুরু করেন। কিন্তু  এতে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি। শুক্রবার ভোর থেকে বিডি ক্লিনের প্রায় ৭শত স্বেচ্ছাসেবী খোয়াই নদীর বর্জ্য পরিষ্কার শুরু করেন।

চুনারুঘাট মরা খোয়াই নদী রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘এক সময়ের খরস্রোতা খোয়াই নদীতে নৌকা চলত, জেলেরা মাছ ধরতেন। এটি কালের আবর্তে মরা নদীতে পরিণত হয়েছে। নদীতে মাছ নেই, ময়লা-আবর্জনায় পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। এমনকি নদীর দুইপাশ দখল করে গড়ে উঠেছে বাসাবাড়ি ও দোকানপাট। একদিকে যেমন অবৈধ দখল, অপরদিকে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে এই নদী।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘১৯৭৮-৭৯ সালে স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে খনন করে উপজেলার খোয়াই নদীকে শহরের বাইরে স্থানান্তর করা হয়। এরপর নদীটির প্রায় ৫ কিলোমিটার অংশ মরা খোয়াই নদী হিসেবে পরিচিতি পায়। ধীরে ধীরে দখল ও দূষণের কবলে ক্রমেই মৃত নদীতে পরিণত হয়েছে খোয়াই। নদীতে এখন আর নেই পানিপ্রবাহ। নদীর জায়গা দখল করে প্রতিনিয়ত স্থাপনা গড়ে ওঠায় কমছে প্রশস্ততা।’ স্থানীয় বাসিন্দারা  জানান, ক্রমাগত দখল-দূষণের ফলে নদীর চারপাশের জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে।  খোয়াই নদী দখল করে ঘরবাড়ি ও দোকান তৈরি করা হয়েছে। নদী ভরাট করে গড়ে তোলা হয়েছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স। 

চুনারুঘাট উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ বলেন, ‘নদীর বুকে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে এটা ঠিক। উপজেলা প্রশাসন নিজেরাই নদীর শ্রেণী পরিবর্তন করে এ স্থাপনা নির্মাণ করেছে।’ এমন বাস্তবতায় নির্বাচনের আগে ভক্ত, অনুসারী ও শুভানুধ্যায়ীর উদ্দেশে মধ্যবাজার মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে এসে পথসভায় দেওয়া বক্তব্যে পুরাতন খোয়াই নদীর বর্জ্য অপসারণ ও দুর্গন্ধ মুক্তকরণের ঘোষণা দিয়েছিলেন ব্যারিস্টার সুমন। 

এ বিষয়ে  সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘যে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলাম, দায় মেটাতে তা বাস্তবায়নে শপথ পাঠের পর এলাকায় প্রথম পুরাতন খোয়াই নদী বর্জ্য ও দুর্গন্ধ মুক্তকরণ শুরু করেছি।’ তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, আগে নিজ তাগিদে যেভাবে সফল হয়েছি। এবার জনগণ দায়িত্ব দিয়েছে তাই আরও বেশি করব।’

ইত্তেফাক/এএইচপি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

four × 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য