Sunday, April 19, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবর‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজে’ ভূষিত হলেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা হানিফ জলান্ধরি

‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজে’ ভূষিত হলেন পাকিস্তানের বিশিষ্ট আলেম মাওলানা হানিফ জলান্ধরি

পাকিস্তানের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজে’ ভূষিত হয়েছেন দেশটির বরেণ্য আলেম মাওলানা হানিফ জলান্ধরি। ধর্মীয় স্কলার হিসেবে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাকে এ সম্মাননা দেয়া হয়।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) পাকিস্তান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাওলানা জলান্ধরি এ সম্মাননা গ্রহণ করেন। এ সময় তাকে সম্মাননা মেডেল পরিয়ে দেন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ড. আরিফ আলভি।

মাওলানা হানিফ জলান্ধরি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া পাকিস্তানের মহাসচিব ও মুলতান জামিয়া খায়রুল মাদারিসের প্রিন্সিপাল।

তাকে এ সম্মানে ভূষিত করার সময় বলা হয়- তিনি স্থিতিশীলতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। পাশাপাশি ২০০৫ সালে পাকিস্তানের ৫৮ জন আলেম একটি ফতোয়ায় স্বাক্ষর করেন, তাতে বলা হয়- নির্দোষ ব্যক্তিকে হত্যা করা হারাম। মাওলানা হানিফ জলান্ধরি ওই ৫৮ জনের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন।

একইসাথে তিনি ‘পয়গামে পাকিস্তান’ নামেও একটি যৌথ ফতোয়া দেন। তাতে তিনি সবরকমের আত্মঘাতি ও সন্ত্রাসী হামলাকে হারাম আখ্যায়িত করেন।

২৩ তারিখের ওই অনুষ্ঠানে তিনিসহ দেশী-বিদেশী সর্বমোট ১৩৪ জনকে নিজ নিজ ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব এবং বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বেসামরিক সম্মাননা প্রদান করা হয়।

ইসলামাবাদের আইওয়ান-ই-সদরে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে দেশটির মন্ত্রিসভার সদস্য, কূটনীতিক এবং সম্মাননাপ্রাপ্তদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগেও মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ জলন্ধরি ২০১৩-২০১৪ সালে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি হাফেজ তৈরি করার জন্য ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর কুরআন মেমোরাইজেশন (মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগের সহযোগী প্রতিষ্ঠান) থেকে পুরস্কৃত হেন।

১৯৯৮ সালের ২ মার্চ মাত্র ৩৭ বছর বয়সে মাওলানা জালান্ধরি বেফাকের মহাসচিব নির্বাচিত হোন। টানা ২৫ বছর ধরে তিনি এই দায়িত্ব পালন করছেন। তার নেতৃত্বেই পাকিস্তান বেফাক ২০১০ সালে সরকারি বোর্ড হিসেবে স্বীকৃতি পায়। পাকিস্তান বেফাকের উন্নতি-অগ্রগতির পেছনে মূল কারিগর হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। এছাড়া তিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে ১৯৮১ সালে মুলতান জামিয়া খায়রুল মাদারিসের প্রিন্সিপাল নির্বাচিত হন।

সূত্র : জিও নিউজ ও ট্রিবিউন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − eighteen =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য