Tuesday, April 28, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়াসোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার ও সতর্কতা।

সোশ্যাল মিডিয়ার অপব্যবহার ও সতর্কতা।

“ইন্টারনেট এমন একটা জগত যেখানে প্রায় সব চিন্তার, সব মানহাজের, সব ফিরকার লোক রয়েছেন। ভালোও আছে, আবার খারাপও আছে, ফ্যাসাদ করার লোকও আছে আবার ইসলাহ করার লোকও আছে। আপনি নিজের ফেইসবুক ওয়ালে কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে লোকজনকে কোন ওয়েবসাইটের ব্যাপারে সন্ধান দিচ্ছেন — তো, আপনি কি কখনো যাচাই করে দেখেছেন উক্ত ওয়েবসাইট সঠিক কিনা? এমনতো নয় যে ঐ ওয়েবসাইটের শেকড় দেশদ্রোহীদের সাথে যুক্ত?! এমনতো নয় যে ঐ ওয়েবসাইট কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের?! আচ্ছা এমনতো নয় যে আপনি যে লিংক শেয়ার করছেন বা যে ভিডিও শেয়ার করছেন অথবা যে স্কলারের বক্তব্য শেয়ার করছেন — সে বিভ্রান্ত মানহাজের?! আপনার একটিমাত্র ভূল শেয়ারিং হাজারো মানুষকে ভূলপথে নিয়ে যেতে পারে। এমনতো নয় যে আপনি নিজেই অশ্লীল, গুনাহের জিনিস দেখছেন অত:পর সেটা বন্ধুদের পাঠিয়ে অশ্লীলতার প্রচার-প্রসারে নিজেকে যুক্ত করছেন?! আল্লাহর রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


وَمَنْ سَنَّ فِي الإِسْلاَمِ سُنَّةً سَيِّئَةً فَعُمِلَ بِهَا بَعْدَهُ كُتِبَ عَلَيْهِ مِثْلُ وِزْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا وَلاَ يَنْقُصُ مِنْ أَوْزَارِهِمْ شَىْءٌ
“যে ব্যক্তি ইসলামে কোন কু-রীতির (মন্দ কাজের) প্রচলন করবে এবং তারপর সে অনুযায়ী আমল করা হয়, তাহলে ঐ আমলকারীর মন্দকর্মের সমপরিমাণ গুনাহ তার জন্য লিপিবদ্ধ করা হবে। এতে তাদের গুনাহ্ বিন্দুমাত্র হ্রাস হবে না।” — [১]।
.
সুপ্রিয় শ্রোতাবৃন্দ, সোশ্যাল মিডিয়ার সবচেয়ে বড়ো একটা অসুবিধা এই যে, আপনি যদি এখানে গলদ জিনিস শেয়ার করে দেন, অত:পর আপনার মাধ্যম হয়ে এটা (শেয়ারকৃত লিংক বা ভিডিও) যেখানে যেখানে যাচ্ছে — ঐসব লোকদের সমপরিমাণ গুনাহ্ আপনার কাঁধে চলে আসবে! এজন্য কি শেয়ার করছেন তা খুব সতর্ক হয়ে শেয়ার করবেন। বিশেষ করে ওয়েবসাইটের ব্যাপারে আহলে-ইলম তথা প্রকৃত উলামাদের দিকে প্রত্যাবর্তন করুন। ইন্টারনেট জগতে আজ অনেক নামধারী উলামা আছেন, বিতার্কিক আছেন, বক্তব্য দেয়ার মতো বক্তা আছেন — যারা কিনা অনেক হৃদয়গ্রাহী, ভালো বক্তব্য দিয়ে থাকেন! কিন্তু তাদের আক্বীদাহ্ ভ্রষ্ট, তাদের মানহাজ সঠিক নয়, অথচ আপনি তাদেরকেই খুব পছন্দ করেন আর তাদেরই বক্তব্য শেয়ার করছেন?! (পরে কখনো) জানা গেল, আপনার কারণে হাজারো লোকের আক্বীদাহ্ নষ্ট হয়ে গেল, হাজারো লোককে আপনি বিশুদ্ধ মানহাজ থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন — এমনটা হওয়া উচিত নয়। যদি আপনি কোন আলিম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে থাকেন, তাহলেও আপনি প্রকৃত উলামাদের থেকে তার সম্পর্কে জেনে নিন। আহলে-ইলম এর দিকে ফিরে যান আর (তাদের জিজ্ঞেস করুন) ইনার (যার দ্বারা আপনি প্রভাবিত) কথা শুনব কি, শুনব না!? সব ভালো লাগা কথা-ই এই পর্যায়ভুক্ত হয়না যে — সেটাকে সামনে নিয়ে আসতে (অর্থাৎ হাইলাইটস) বা শেয়ার করতে হবে।”
.
— শাইখ আব্দুল গাফফার সালাফী (হাফিযাহুল্লাহ)।
.
তথ্যসূত্র:
১. — [বুখারী, মুসলিম: ৬৫৫৬]
.
গৃহীত:
https://cutt.ly/gWNDwVL
.
.
.
— অনুবাদক: আখতার বিন আমীর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

16 + five =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য