গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস যাতে তাদের হাতে আটক বন্দীদের মুক্তি দেয়, সেজন্য তাদেরকে রাজি করাতে কাতারের কাছে ধর্না দিয়েছে বন্দীদের পরিবার সদস্যরা। তবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল সানি বলেছেন, লেবাননে হামাসের শীর্ষ নেতাকে হত্যার পর গ্রুপটি এ নিয়ে আলোচনা করতে রাজি হচ্ছে না।
সানি ওই পরিবারের সদস্যদের বলেন, বৈরুতে মঙ্গলবার হামাসের প্রবাসী উপ-নেতা সালেহ আল-আরোরিকে হত্যার পর হামাসের সাথে আলোচনা অনেক জটিল হয়ে পড়েছে। দৃশ্যত ইসরাইলি হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন। তবে ইসরাইল এই দায়দায়িত্ব স্বীকার করেনি।
আরোরিকে হত্যার পর কাতার ও মিসরের মধ্যস্ততায় চলা আলোচনা স্থগিত করে দিয়েছে হামাস। অবশ্য ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মঙ্গলবার বন্দীদের পরিবার সদস্যদের সাথে আলোচনার সময় বলেছেন যে তাদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে।
এমন প্রেক্ষাপটে বন্দীদের কয়েকটি পরিবার শুক্রবার কাতার সফর করে। কাতারের প্রধানমন্ত্রী তাদের সাথে সাক্ষাতের সময় বলেন, ‘বৈরুতের ঘটনার পর হামাসের সাথে আলোচনা আরো অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে।’
বন্দী পরিবারের সদস্যরা কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আবদুল আজিজ আল-খলিফার সাথেও আলোচনা করেন। তিনি কাতারি আলোচক দলের প্রধান।
কাতারের মধ্যস্ততায় নভেম্বরের শেষ দিকে ১০৫ জন বন্দীকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। ৭ অক্টোবর অভিযান চালিয়ে তাদেরকে আটক করেছিল হামাস। এখনো তাদের হাতে প্রায় ১৩২ জন বন্দী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র : টাইমস অব ইসরাইল
