Tuesday, April 28, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরহামাসের কঠোর হুঁশিয়ারি : আলোচনার আড়ালে জঘন্য অপরাধ করছে ইসরাইল

হামাসের কঠোর হুঁশিয়ারি : আলোচনার আড়ালে জঘন্য অপরাধ করছে ইসরাইল

গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস জানিয়েছে, শান্তি আলোচনার আড়ালে ইসরাইল জঘন্য অপরাধ অব্যাহত রেখেছে। তারা এমন পরিস্থিতি মেনে নেবে না। আর তাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে, তারা যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করবে।

এদিকে হিব্রু মিডিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরাইলের একটি ইংরেজি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামাসের পণবন্দী মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে তারা বেশ হতাশ হয়ে পড়েছেন। তাদের মতে, হামাস সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সম্ভবত মেনে নেবে না।

চ্যানেল ১২, ১৩ এবং কান নিউজ বেশ কয়েকজন সিনিয়র কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে জানায় যে প্যারিসে ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র, মিসর এবং কাতারের মধ্যস্ততাকারীরা যে প্রস্তাবের ব্যাপারে একমত হয়েছেন, তাতে হামাসের দাবি মেনে নেয়া হয়নি। বিদেশে অবস্থানকারী হামাস নেতারা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে আন্তর্জাতিক প্রস্তাবটি ‘লালরেখা’ অতিক্রম করায় তা তাদের পক্ষে মেনে নেয়া সম্ভব নয়।

তবে হামাস এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাবটির ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।

প্যারিসের প্রস্তাবিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ছয় সপ্তাহের অস্ত্রবিরতির সময় হামাস ৪০ জন বন্দীকে মুক্তি দেবে। এদের মধ্যে থাকবে নারী, শিশু, নারী সৈন্য, বয়স্ক পুরুষ ও অসুস্থ লোকজন। আর ইসরাইল তাদের কারাগার থেকে ২০০-৩০০ লোককে মুক্তি দেবে।

তবে ইসরাইল জোর দিয়ে বলছে, এটি হবে সাময়িক অস্ত্রবিরতি। এ দিয়ে কোনোভাবেই স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বোঝাবে না। তারা গাজায় হামাসকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত যুদ্ধ থামাবে না।

যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার জন্য ইসরাইলের একটি প্রতিনিধিদল কাতারে গেছে। এদিকে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানি পৃথকভাবে হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ার সাথে সাক্ষাত করেছেন।

কাতারের আমিরের সাথে সাক্ষাতের পর হানিয়া বলেন, তারা যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্ততাকারীদের প্রয়াসের দিকে নজর রাখছে। তবে তিনি অভিযোগ করেন, ইসরাইল চাচ্ছে, অবরোধে গাজার লোকজনকে হত্যা করতে।

তিনি বলেন, ‘আমরা আলোচনার আড়ালে আমাদের শত্রুদের এই অপরাধ অব্যাহত রাখতে দেব না।’

এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল চুক্তির জন্য প্রস্তুত। এখন হামাসকে তাদের প্রধান দাবিগুলো থেকে সরে আসতে হবে।

অন্যদিকে সিনিয়র হামাস কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি সোমবার রয়টার্সকে বলেন, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে আগ্রাসন বন্ধ, দখলদারিত্বের অবসান, বাস্তুচ্যুতদের বাড়িঘরে ফেরা, সহায়তা প্রবেশ, পুনর্গঠনের নিশ্চয়তা থাকতে হবে।

চ্যানেল ১২ সোমবার মোসাদের পরিচালক ডেভিড বারনিয়ার উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইসরাইল যদি গাজায় পর্যাপ্ত পরিমাণে সহায়তা পাঠানোর ব্যবস্থা করতে না পারে, তবে চুক্তিটি ভণ্ডুল হয়ে যেতে পারে।

গাজায় এখনো ১৩০ জন বন্দী রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের সবাই এখনো জীবিত নেই। হামাস গত নভেম্বরে ১০৫ বেসামরিক লোককে মুক্তি দিয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

20 + six =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য