وَعَن النواس بن سمْعَان قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «يُؤْتَى بِالْقُرْآنِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَهْلِهِ الَّذِينَ كَانُوا يَعْمَلُونَ بِهِ تَقْدُمُهُ سُورَةُ الْبَقَرَةِ وَآلُ عِمْرَانَ كَأَنَّهُمَا غَمَامَتَانِ أَوْ ظُلَّتَانِ سَوْدَاوَانِ بَيْنَهُمَا شَرْقٌ أَوْ كَأَنَّهُمَا فِرْقَانِ مِنْ طَيْرٍ صَوَافَّ تحاجان عَن صَاحبهمَا» . رَوَاهُ مُسلم
নাওয়াস ইবনু সাম্’আন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, কুরআন ও কুরআন পাঠকদের যারা কুরআন অনুযায়ী ’আমল করত (তাদের) কিয়ামতের দিন উপস্থিত করা হবে। তাদের সামনে দু’টি মেঘখণ্ড অথবা দু’টি কালো ছায়ারূপে থাকবে সূরা আল বাকারাহ্ ও সূরা আ-লি ’ইমরান। এদের মাঝখানে থাকবে দীপ্তি। অথবা থাকবে প্রসারিত- পালক বিশিষ্ট পাখির দু’টি ঝাঁক। তারা আল্লাহর নিকট কুরআন পাঠকের পক্ষে সুপারিশ করবে। (মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : মুসলিম ৮০৫, তিরমিযী ২৮৮৩, আহমাদ ১৭৬৩৭, শু‘আবূল ঈমান ২১৫৭, সহীহ আত্ তারগীব ১৪৬৫।
ব্যাখ্যা: এ হাদীসের ব্যাখ্যা পূর্বের হাদীসের ব্যাখ্যার প্রায় অনুরূপই। কুরআন তিলাওয়াতকারী এবং তার ওপর ‘আমলকারীর জন্য এ মর্যাদা, কিন্তু যারা শুধু তিলাওয়াত করেছে, কিন্তু কুরআনের বিধান মতো ‘আমল করেনি সে আহলে কুরআনরূপে বিবেচিত হবে না, আর কুরআন তার জন্য সুপারিশকারীও হবে না, বরং তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদকারী হবে। মানুষ ‘আমলের যেমন রূপ-অবয়ব ওযনে দেখতে পবে তেমনি আল কুরআনের সূরাগুলোরও রূপ-অবয়ব প্রত্যক্ষ করতে পারবে।
