ইসরাইলে ৭ অক্টোবর হামলার পর হামাসের হাতে বন্দীদের সন্ধানে গাজার উপর উড়ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারি ড্রোন।
দুই মার্কেন কর্মকর্তা বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তাদের এক কর্মকর্তা বলেছেন, তারা এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ড্রোন ফ্লাইট পরিচালনা করছেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, গাজায় বন্দী ২০০ জনেরও বেশি লোকের মধ্যে ১০ মার্কিন নাগরিক এখানো অজ্ঞাত রয়েছে। তারা হামাসের বিস্তৃত টানেল নেটওয়ার্কে আটক ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, হামাসের হাতে বন্দী অবস্থায় থাকা নাগরিকদের মুক্ত করতে সংগঠনটির নেতাদের সাথে সরাসরি বৈঠক করেছে থাইল্যান্ডের সরকারি একটি প্রতিনিধি দল। দলটির নেতৃত্বে ছিলেন থাই পার্লামেন্টের স্পিকার আরিপেন উতারাসিন।
বৈঠকে হামাস নেতারা সঠিক সময়ে থাই বন্দীদের ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। কিন্তু সেই ‘সঠিক সময়’ কখন আসবে, সে সম্পর্কিত কোনো ইঙ্গিত তারা দেননি।
গত ২৬ অক্টোবর ইরানের রাজধানী তেহরানে দুই ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠক হয়েছে উল্লেখ করে টাইমস অব ইসরাইলকে আরিপেন বলেন, ‘আমরা হামাস নেতাদের অনুরোধ করে বলেছি যে এই থাই নাগরিকরা নিরপরাধ এবং হামাস কবে তাদের মুক্তি দেবে।’
‘জবাবে হামাস প্রতিনিধিরা বলেছে, সঠিক সময় এলেই তাদের মুক্তি দেয়া হবে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ তারা উল্লেখ করেনি। তবে বলেছে, অন্যান্য জিম্মিদের মতো আমাদের নাগরিকদেরও তারা যত্নে রেখেছে।’
ইসরাইলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হামাসের হাতে বন্দীদের মধ্যে ১৩৮ জনই থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
টাইমস অব ইসরাইলকে আরিপেন জানিয়েছেন, অন্তত ২২ জন থাই নাগরিক বন্দী অবস্থায় রয়েছেন হামাসের হাতে।
সূত্র : আল-জাজিরা এবং টাইমস অব ইসরাইল
