Friday, April 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeকুরআন ও হাদীসপ্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই।

প্রতিদিন অতীব প্রয়োজনীয় একটি হাদিস জেনে নেই।

পরিচ্ছেদঃ ১৭. প্রথম অনুচ্ছেদ – সাক্ষাৎ ত্যাগ, সম্পর্কচ্ছেদ ও দোষান্বেষণে নিষেধাজ্ঞা

৫০৩১-[৫] উম্মু কুলসূম বিনতু ’উকবাহ্ ইবনু আবূ মু’আয়ত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ঐ ব্যক্তি মিথ্যুক নয়, যে ব্যক্তি মিথ্যা বলে হলেও লোকেদের মধ্যে মীমাংসা করে, উভয় পক্ষকে ভালো কথা বলে, একের পক্ষ থেকে অপরকে ভালো কথা পৌঁছায়। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

ইমাম মুসলিম (রহিমাহুল্লাহ) এক বর্ণনায় এ কথাগুলো বৃদ্ধি করেছেন, উম্মু কুলসূম (রাঃ) বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তিনটি কাজ ব্যতীত কোন কাজে কখনো মিথ্যা বলার অনুমতি দিতে শুনিনি- ১. শত্রুর বিরুদ্ধে মুসলিমের যুদ্ধের সময়, ২. ব্বিদমান দু’ পক্ষর মীমাংসা করানোর সময় এবং ৩. স্বামী স্ত্রীর সাথে এবং স্ত্রী স্বামীর সাথে কথা বলার সময়।

ব্যাখ্যাঃ (لَيْسَ الْكَذَّابُ الَّذِىْ يُصْلِحُ بَيْنَ النَّاسِ) ‘‘ঐ ব্যক্তি মিথ্যাবাদী নয়, যে মিথ্যা বলেও লোকেদের মধ্যে মীমাংসা করে।’’ এর অর্থ হলো ঐ ব্যক্তি নিন্দিত মিথ্যুক নয়, যে মানুষের মাঝে মীমাংসা করে। বরং সে ব্যক্তি একজন সৎলোক। (শারহুন নাবাবী ১৬শ খন্ড, হাঃ ২৬০৫)

(وَيَنْمِي خَيْرًا) অর্থাৎ উভয়পক্ষকে ভালো কথা বলে, একপক্ষ থেকে অপরপক্ষকে ভালো কথা পৌঁছায়। অর্থাৎ যে ভালো কথা তাদের থেকে শোনেনি, তা অপরপক্ষর নিকট পৌঁছে দেয়। যেমন- সে বলে, অমুক ব্যক্তি আপনাকে সালাম প্রেরণ করেছেন, সে আপনাকে ভালোবাসে, সে আপনার ব্যাপারে ভালো বলেছে। অনুরূপ আরো অনেক কথা তার নিজের থেকে বলে। এর দ্বারা তার উদ্দেশ্য হলো উভয়ের মাঝে সৃষ্ট বিবাদ মীমাংসা করা। কাযী ‘ইয়ায (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ সে ভালো কথা যা শুনেছে তা বলবে আর খারাপ কথা পরিহার করবে। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)

[1] সহীহ : বুখারী ২৬৯২, মুসলিম ১০১-(২৬০৫), আহমাদ ২৭২৭২, সহীহ আল আদাবুল মুফরাদ ২৯৭, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৫৪৫, সহীহ ইবনু হিব্বান ৫৭৩৩, শু‘আবুল ঈমান ৪৭৯১, সুনানুন্ নাসায়ী আল কুবরা ৯১২৩, আল মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ২০৭০০, আস্ সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ২১৩৫৩।

 হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

 বর্ণনাকারীঃ উম্মু কুলসুম বিনতে ‘উকবাহ (রাঃ)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

six − four =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য