Friday, April 24, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদাওয়াশরীরচর্চায় যেভাবে উৎসাহ দিয়েছেন নবীজি

শরীরচর্চায় যেভাবে উৎসাহ দিয়েছেন নবীজি

শরীরচর্চা সুস্থ জীবনের অন্যতম প্রধান উপাদান। এটি শরীরকে রাখে সক্রিয়, সতেজ ও রোগমুক্ত। সুস্থ শরীর মানেই শক্তিশালী মন ও সুন্দর জীবন। একে মনে করা হয় সুস্থ জীবনের অপরিহার্য উপাদান। শরীরচর্চা শুধু স্বাস্থ্য নয়, বরং ইবাদতের শক্তিও ধরে রাখে। রাসুলুল্লাহ (সা.) শারীরিক পরিশ্রম, দৌড়, কুস্তির মতো শরীরচর্চায় উৎসাহ দিয়েছেন।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিনদের দৈহিক ও সামরিক শক্তির অনুশীলন করতে বলেছেন। (সুরা আনফাল: ৬০)। আল্লাহর নবী (সা.) বলেছেন, ‘দুর্বল মুমিনের চেয়ে শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে বেশি পছন্দের। (সহিহ্ মুসলিম)

শারীরিকভাবে সুস্থ ও সামর্থ্যবান থাকার জন্য পরিমিত খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত ঘুম ও কায়িক পরিশ্রমের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন নবী (সা.)। শারীরিক অসুস্থতা বয়ে আনতে পারে এমন সব কাজ থেকে সাহাবিদের সতর্ক করেছেন। রাসুল (সা. এক সাহাবিকে বলেছেন, ‘তুমি রোজাও রাখো এবং ইফতারও করো, তাহাজ্জুদও আদায় করো এবং ঘুমাও। নিশ্চয়ই তোমার ওপর তোমার শরীরের অধিকার রয়েছে, তোমার ওপর তোমার চোখের অধিকার রয়েছে, তোমার ওপর তোমার স্ত্রীর অধিকার রয়েছে।’ (সহিহ্ বুখারি)

নবীজি (সা.) দ্রুত হাঁটতেন। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘আমি নবীজির চেয়ে দ্রুতগতিতে কাউকে হাঁটতে দেখিনি।’ (জামে তিরমিজি)। এ ছাড়া তিনি শারীরিকভাবে ছিলেন শক্তিশালী। রুকানা নামে খুবই বলিষ্ঠ এক কুস্তিগির ছিল। মহানবী (সা.) কয়েকবার তাকে পরাজিত করেছিলেন। (সুনানে আবু দাউদ)

সাহাবিদের শারীরিকভাবে সুস্থ ও সামর্থ্যবান রাখার জন্য নবী করিম (সা.) বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করতেন। কেউ আয়োজন করলে উৎসাহ দিতেন। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) হাফইয়া থেকে সানিয়াতুল বিদা পর্যন্ত সীমানার মধ্যে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ঘোড়গুলোর দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। স্থান দুটির দূরত্ব ছিল ৬ মাইল।’ (সহিহ্ বুখারি)। একবার আসলাম গোত্রের কিছু লোক বাজারের কাছে প্রতিযোগিতামূলক তির নিক্ষেপের চর্চা করছিল। এ সময় নবী (সা.) তাদের দেখে বললেন, ‘হে ইসমাইলের বংশধর, তোমরা তির নিক্ষেপ করো। তোমাদের পিতাও তির নিক্ষেপে অভিজ্ঞ ছিলেন।’ (সহিহ্ বুখারি)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

eighteen − 8 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য