Tuesday, April 21, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরকাশ্মীর রোডম্যাপ দিলে ভারতের আলোচনা : ইমরান খান

কাশ্মীর রোডম্যাপ দিলে ভারতের আলোচনা : ইমরান খান

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান শুক্রবার বলেছেন যে, কাশ্মীরের বিতর্কিত হিমালয় অঞ্চলের আগের অবস্থা পুনরুদ্ধারে দিল্লি রোডম্যাপ দিলে পাকিস্তান চির প্রতিদ্ব›দ্বী ভারতের সাথে পুনরায় আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত।


দুটিই পরমাণু শক্তিধর প্রতিবেশী এবং উভয়ই কাশ্মীরের অংশ নিয়ন্ত্রণ করে, তবে পুরোপুরি দাবি করে। ২০১৯ সালে নিয়ন্ত্রণ আরো জোরদার করতে ভারত শাসিত কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে ক্ষুব্ধ করে। দু’দেশের ক‚টনৈতিক সম্পর্ক হ্রাস পায় এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য স্থগিত হয়ে যায়।
ইসলামাবাদে তার সরকারি বাসভবনে রয়টার্সকে খান বলেন, ‘যদি কোনও রোডম্যাপ থাকে, তবে, হ্যাঁ, আমরা কথা বলব’।


এর আগে, জনাব খান ও তার সরকার দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন যে, কোনও নরমালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার জন্য ভারতকে প্রথমে তার ২০১৯ পদক্ষেপগুলো প্রত্যাহার করতে হবে।
খান বলেন, ‘এমনকি যদি তারা আমাদের একটি রোডম্যাপ দেয়, তবে আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘের প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে তারা যা করেছে, তা অবৈধ বলে স্বীকার করে জানায়, আমরা মূলত এসব পদক্ষেপ গ্রহণ করব, তবে তা গ্রহণযোগ্য’। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ রিপোর্টের ব্যাপারে রয়টার্সের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।


১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভের পর থেকে কাশ্মীর একটি স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তারা এ অঞ্চলে দুটি যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। পাকিস্তান ভারতকে কাশ্মীরিদের অধিকার লঙ্ঘনে অভিযুক্ত করেছে এবং ভারত বলেছে যে, পাকিস্তান তার অঞ্চলে জঙ্গিদের সমর্থন করে। উভয়ই অভিযোগ অস্বীকার করে।
২০১৯ সালে কাশ্মীরে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ওপর একটি আত্মঘাতী বোমা হামলার ফলে ভারত পাকিস্তানে যুদ্ধ বিমান পাঠিয়েছিল।


খান বলেন যে, তিনি সর্বদা ভারতের সাথে একটি ‘সভ্য’ এবং ‘মুক্ত’ সম্পর্ক চান।
তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদাহরণ উল্লেখ করে বলেন, ‘এটা সাধারণ বিষয় যে, আপনি যদি উপমহাদেশে দারিদ্র্য হ্রাস করতে চান, তবে একে অপরের সাথে বাণিজ্য করা সবচেয়ে ভাল উপায়’।
দিল্লি কাশ্মীরে তার পদক্ষেপের পর্যালোচনা না করা পর্যন্ত তার সাথে বাণিজ্য পুনরায় চালু না করার পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী বডির সিদ্ধান্ত গত মার্চ মাসে পর্যালোচনা করে পাকিস্তান।
তিনি বলেন যে, কাশ্মীরের অংশের স্বায়ত্তশাসন প্রত্যাহার করে ভারত একটি ‘লাল রেখা’ পেরিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের আবার সংলাপ শুরু করার জন্য তাদের ফিরে আসতে হবে’, খান আরও বলেন, ‘এ মুহূর্তে ভারতের পক্ষ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি’।


এ বছরের শুরুর দিকে, ভারতীয় কর্মকর্তারা বলেছিলেন যে, পরের কয়েক মাস ধরে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একটি সামান্য রোডম্যাপ তৈরির লক্ষ্যে দু’দেশের সরকার ক‚টনীতির একটি ব্যাক চ্যানেল খুলেছে। সূত্র : রয়টার্স।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

nineteen − two =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য