Monday, April 20, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরশেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে দিল্লিতে দাফনে প্রচারণা

শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে দিল্লিতে দাফনে প্রচারণা

শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে মিয়ানমারের রেঙ্গুন থেকে ফিরিয়ে এনে ভারতের দিল্লিতে দাফন করার জন্য ভারতে প্রচারণা চলছে। সম্রাট বাহদুর শাহ জাফরের অন্তিম ইচ্ছা ছিল দিল্লির মেহরুলিতে তাকে যেন কবর দেয়া হয়।

১৮৫৭ সালে ব্রিটিশ সরকার বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে নির্বাসন দেয়। সেখানে এক ব্রিটিশ সামরিক অফিসারের গ্যারেজে ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বরে ইন্তেকাল করেন শেষ মোগল সম্রাট বাহদুর শাহ জাফর। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর ক্যান্টনমেন্টের এক অজ্ঞাত স্থানে তাকে দাফন করা হয়েছিল। পরে এক খোঁড়াখুঁড়ির কাজের সময় তার কবরের হদিস পাওয়া যায়। পরে তার কবরের ওপর একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

দিল্লির মেহরুলি এলাকায় তার পূর্বপুরুষদের কবর থাকায় সেখানেই তাকে যেন কবর দেয়া হয়- এটাই ছিল বাহাদুর শাহ জাফরের শেষ ইচ্ছা। তিনি দিল্লিতে থাকার সময় নিজে ওই এলাকা পরিদর্শন করেন এবং কবরের নির্দিষ্ট স্থান ঠিক করে রেখে যান।

প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক ও চিন্তাবিদসহ ভারতের অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি, যেমন- বিচারপতি রাজেন্দ্র সাচার, কুলদীপ নায়ার ও সায়িদ নকভি শেষ মোগল সম্রাটের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রচারণা চালিয়েছেন। তারা চান সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের ইচ্ছানুসারে তার দেহাবশেষ দিল্লিতে দাফন করা হোক।

শেষ মোগল সম্রাটের দেহাবশেষ রেঙ্গুন থেকে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে এ সকল খ্যাতিমান ব্যক্তিরা ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির কাছে আবেদনও জানিয়েছিলেন। যাতে করে বাহাদুর শাহ জাফরের দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে তিনি তাদের সাহায্য করেন। শেষ মোগল সম্রাটের ইচ্ছানুসারে তাকে দিল্লিতে দাফন করতে ভারতের প্রখ্যাত ব্যক্তিদের এ প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানান দেশটির পরলোকগত সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ।

এমনকি মোগলদের বংশধর যারা বর্তমানে ভারতের বারোদা, কলকাতা, ভূপাল ও হায়দরাবাদে আছেন তারাও ভারতীয়দের এ প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।

কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে ভারতীয়দের এ দাবি ওই দেশের সরকার এখনো পূরণ করেনি। যদিও ভারতের অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি মিয়ানমার সফরের সময় রেঙ্গুনে গিয়ে শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের মাজার পরিদর্শন করেছেন। তাদের মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি এ পি জে আব্দুল কালাম ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রয়েছেন। তারপরেও বাহাদুর শাহ জাফরের দেহাবশেষ তার মাতৃভূমি ভারতে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবরের দ্বিতীয় পুত্র।

সূত্র : মুসলিম মিরর

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

10 + 2 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য