Sunday, April 26, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরএবার আসছে ডিজিজ এক্স! করোনার চেয়ে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী

এবার আসছে ডিজিজ এক্স! করোনার চেয়ে ৭ গুণ বেশি প্রাণঘাতী

এখনো কোভিড-১৯ আতঙ্ক কাটেনি অনেকের মন থেকে, এরই মাঝে আবার নতুন ভাইরাসের সন্ধান চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের। এবার আশঙ্কা কোভিডের চেয়েও মারাত্মক কোনো রোগ হানা দিতে পারে মানব শরীরে। করোনাভাইরাসের তুলনায় প্রায় আরো বেশি ভয়ানক এই অসুখ, এবার এমনই সতর্কতা জারি করা হলো ব্রিটেনের স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে। কোভিডের চেয়ে আরো বেশি মারাত্মক ভাইরাসকে ডিজিজ এক্স বলে সম্মোধন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য দফতর (হু)। হু-এর রিপোর্ট অনুযায়ী প্রায় সারা বিশ্বে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ কোভিডে প্রাণ হারিয়েছেন।

ব্রিটেনের ভ্যাকসিন টাস্ক ফোর্সের প্রধান ডেম কেট বিংহাম সম্প্রতি জানিয়েছেন, সারা বিশ্ব আরও বড় অতিমারির সাক্ষী হতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। সেই অতিমারির দাপটে প্রাণ হারাতে পারেন পাঁচ কোটি মানুষ।

করোনার জেরে যে ভাবে সারা বিশ্বে আতঙ্ক ছড়ায়, ডিজিজ এক্সের থাবায় তার সাতগুণ বেশি মৃত্যু এবং ভয়াবহতা দেখতে পাবে মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, ‘ডিজিজ এক্স’ কথাটির অর্থ হলো, এমন একটি রোগ, যা মহামারী ঘটাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু ওই রোগটির প্যাথোজেন কিভাবে মানুষের ক্ষতি করতে পারে, তা এখনো অজানা। ডেম আরো বলেন, ‘বিজ্ঞানীরা আপাতত ২৫টি ভাইরাসের পরিবারকে পর্যবেক্ষণ করছেন, যার প্রতিটিতে হাজার হাজার পৃথক ভাইরাস রয়েছে। এদের মধ্যে যেকোনো একটি মারাত্মক মহামারীতে রূপান্তরিত হতে পারে।’

ব্রিটেনের বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই একটি অজ্ঞাতভাইরাস ‘ডিজিজ এক্স’-এর জন্য টিকা তৈরির প্রচেষ্টা শুরু করেছেন। উইল্টশায়ারের হাই সিকিউরিটি পোর্টন ডাউন ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্সে পরিচালিত এই গবেষণার কাজে ২০০ জনেরও বেশি বিজ্ঞানী জড়িত আছেন। এই বিজ্ঞানীরা মূলত অ্যানিমাল ভাইরাস অর্থাৎ, যে ভাইরাস পশুর শরীর থেকে মানুষের শরীরে ছড়িয়ে মহামারী সৃষ্টি করতে পারে সেগুলোর উপরেই কাজ করছেন। এর মধ্যে বার্ড ফ্লু, মাঙ্কি ভাইরাস, হান্টা ভাইরাস অন্যতম।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

sixteen − 12 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য