Saturday, April 25, 2026
No menu items!

আমাদের মুসলিমউম্মাহ ডট নিউজে পরিবেশিত সংবাদ মূলত বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সমাহার। পরিবেশিত সংবাদের সত্যায়ন এই স্বল্প সময়ে পরিসরে সম্ভব নয় বিধায় আমরা সৌজন্যতার সাথে আহরিত সংবাদ সহ পত্রিকার নাম লিপিবদ্ধ করেছি। পরবর্তীতে যদি উক্ত সংবাদ সংশ্লিষ্ট কোন সংশোধন আমরা পাই তবে সত্যতার নিরিখে সংশোধনটা প্রকাশ করবো। সম্পাদক

Homeদৈনন্দিন খবরতালেবানের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ান প্রফেসর কাবুলে পৌঁছেছেন

তালেবানের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ান প্রফেসর কাবুলে পৌঁছেছেন

আবারো আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের মাটিতে পা রাখলেন তালেবানের কারাগারে বন্দী থাকাকালীন ইসলাম গ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ান প্রফেসর টিমোথি উইকস। ইসলামী আমিরাতের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মাতৃভূমি থেকে উড়ে এসেছেন তিনি। একইসাথে নতুন সরকারকে সহযোগিতারও আশ্বাস দিয়েছেন টিমোথি উইকস।

শনিবার এক্সপ্রেস নিউজ জানায়, ২০১৬ সালে আফগানিস্তানে এসে এক মার্কিন সহকর্মীর সাথে তালেবান যোদ্ধাদের হাতে আটক হন উইকস এবং তিন বছর তাদের হাতে বন্দী থাকেন। পরে তালেবান নিজেদের তিন নেতার মুক্তির বদলি হিসেবে মুক্তি দেন উইকস ও তার সহকর্মীকে। বন্দিত্বের সময়েই তালেবানের আচরণে মুগ্ধ হয়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এই অস্ট্রেলিয়ান প্রফেসর।

সূত্র মতে- ইসলাম গ্রহণের পর উইকস নিজের নতুন নাম রাখেন জিবরিল ওমর। এরপর নানা ক্ষেত্রে তিনি তালেবানকে বিভিন্ন সহায়তা করেছেন। কাতারে অনুষ্ঠিত তালেবান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তিচুক্তি আলোচনায় এই নওমুসলিম তালেবান নেতাদের সাথে সেখানে সাক্ষাৎ করেন এবং গত বছরের ১৫ আগস্ট যখন তালেবান শাসন ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন তিনি নতুন সরকারকে শুভ কামনা জানান।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ান প্রফেসর টিমোথি উইকস যখন কাবুলে পা রাখেন, তখন তার চেহারা শুভ্র দাড়ি সজ্জিত দেখা যায়। তার পোশাকেও বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে; তিনি সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা, কালো কোট এবং একটি কান্দাহারী পাগড়ি পরিধান করে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রফেসর জিবরিল ওমর বলেন, এই ভূখণ্ডে তালেবান শাসনের বর্ষপূর্তির আনন্দ উদযাপনে আমি আফগানিস্তান এসেছি। একইসাথে আমি অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাবেক এক আফগান এমপির সাথে মিলে এ দেশের সাধারণ জনগণের কল্যাণের জন্য একটি দাতব্য সংস্থা প্রতিষ্ঠা প্রকল্পের কাজ করছি।

নিজের ইসলাম গ্রহণের ব্যাপারে তিনি বলেন, যখন আমি বন্দী ছিলাম, তখন একটি দরজা দিয়ে আমার কানে আফগান বাচ্চাদের কথাবার্তার আওয়াজ আসছিল। তারা ওই সময় খেলছিল। আমি তখনই এই শিশুদের একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ দেয়ার সংকল্প করি।

সূত্র : এক্সপ্রেজ নিউজ উর্দু

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

2 × 5 =

সবচেয়ে জনপ্রিয়

সাম্প্রতিক মন্তব্য