عَن أبي مَسْعُود الْأنْصَارِيّ قَالَ: جَاءَ رَجُلٌ بِنَاقَةٍ مَخْطُومَةٍ فَقَالَ: هَذِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَكَ بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ سَبْعمِائة نَاقَة كلهَا مخطومة» . رَوَاهُ مُسلم
আবূ মাস্’ঊদ আল আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ব্যক্তি স্বীয় উষ্ট্রীর নাকে লাগামসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এনে বলল, এ উষ্ট্রী আল্লাহর পথে দান করলাম। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বললেন, তোমাকে তার বিনিময়ে কিয়ামতের দিনে সাতশত লাগামসহ উষ্ট্রী প্রদান করা হবে। (মুসলিম)[1]
ব্যাখ্যা: আলোচ্য হাদীসে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের সরঞ্জাম বা পাথেয় দান করার ফযীলত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। খিতাম পরিহিত একটি উট নিয়ে একজন সাহাবী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তা আল্লাহর রাস্তায় সাদাকা করলে তিনি এর ফযীলত বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘‘এর বিনিময়ে তোমাকে কিয়ামতের দিন সাতশত খিতাম পরিহিত উটনী দেয়া হবে’’। এখান থেকে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের জন্য দান করার ফযীলত প্রমাণিত হয়।
(نَاقَةٍ مَخْطُومَةٍ) তথা খিতাম পরিহিত উটনী বলতে এমন উটনী বুঝানো হয়েছে, যাকে বিশেষ প্রক্রিয়ায় আটকে রাখা হয়েছে। সেটি হলো কোনো একটি রশির একদিকে বৃত্তের মতো বানিয়ে, অতঃপর অপর পার্শ্বকে ঐ পার্শ্বের বৃত্তের সাথে আটকিয়ে কোনো উটনীকে মাথায় আটকিয়ে রাখা বা বেঁধে রাখা। এ প্রক্রিয়াটিকেই খিতাম বলা হয়। তবে এটি লিযাম নয়। কারণ লিযাম হচ্ছে নাকের ভিতর দিয়ে রশি ঢুকিয়ে আটকানো বা বাঁধা। (মিরকাতুল মাফাতীহ)
