عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي جَنِينِ امْرَأَةٍ مَنْ بَنِي لِحْيَانَ سَقَطَ مَيِّتًا بِغُرَّةِ: عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ ثُمَّ إِنَّ الْمَرْأَةَ الَّتِي قُضِيَ عَلَيْهَا بِالْغُرَّةِ تُوُفِّيَتْ فَقَضَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِأَنْ مِيرَاثَهَا لبنيها وَزوجهَا الْعقل على عصبتها
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বানী লিহ্ইয়ান গোত্রের জনৈকা মহিলার গর্ভস্থ ভ্রূণ (পেটের বাচ্চা) হত্যার ফায়সালা দিয়েছেন (তথা যে ভ্রূণটি নিহত হয়ে তার পেট থেকে পড়ে গিয়েছিল), একটি গোলাম বা বাঁদী রক্তপণস্বরূপ আদায় করতে হবে। কিন্তু রক্তপণ আদায়ের পূর্বেই মহিলাটি মৃত্যুবরণ করে। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা করলেন যে, তার উত্তরাধিকার তার সন্তান এবং স্বামী পাবে এবং রক্তপণ তার অভিভাবকদেরকে আদায় করতে হবে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]
[1] সহীহ : বুখারী ৬৯০৯, মুসলিম ১৬৮১, নাসায়ী ৪৮১৭, তিরমিযী ২১১১, আবূ দাঊদ ৪৫৭৭, আহমাদ ১০৯৭৩।
ব্যাখ্যা: এ হাদীসে লিহ্ইয়ান গোত্রের কথা বলা হয়েছে আর সামনের হাদীসে হুযায়ল গোত্রের কথা বলা হয়েছে। মূলতঃ ঘটনা একই। কেননা লিহ্ইয়ান হলো হুযায়ল গোত্রের একটি ছোট অংশ। সুতরাং উভয় হাদীসের মধ্যে কোনো বৈপরীত্য নেই। হাদীসের বাণী (سَقَطَ مَيِّتًا) অর্থাৎ গর্ভপাতটি হয়েছিল মৃতাবস্থায়, তাই রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি দাস বা একটি দাসী প্রদান করার ফায়সালা দিয়েছেন। আর যদি জীবন্ত অবস্থায় গর্ভপাত হওয়ার পর মারা যায় তবে পূর্ণ দিয়াত দেয়া ওয়াজিব। এ ক্ষেত্রে ছেলে সন্তান হলে একশত উট আর মেয়ে সন্তান হলে পঞ্চাশটি উট ওয়াজিব হবে। (মিরকাতুল মাফাতীহ; ফাতহুল বারী ১২শ খন্ড, হাঃ ৬৯০৯; শারহে মুসলিম ১১শ খন্ড, হাঃ ১৬৮১; ‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৪৫৬৬; তুহফাতুল আহওয়াযী ৪র্থ খন্ড, হাঃ ১৪১০)
